হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে ফের নাগরাকাটায় শঙ্কর, যেখানে রক্তাক্ত হয়েছিলেন সাংসদ ও বিধায়ক
Connect with us

ভাইরাল খবর

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে ফের নাগরাকাটায় শঙ্কর, যেখানে রক্তাক্ত হয়েছিলেন সাংসদ ও বিধায়ক

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের (North Bengal) নাগরাকাটা (Nagrakata) এলাকায় ত্রাণ বিলিতে গিয়ে গত সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছিলেন বিজেপি-র (BJP) দুই জনপ্রতিনিধি—সাংসদ খগেন মুর্মু (Khagen Murmu) ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ (Shankar Ghosh)। ঘটনার পরে শঙ্কর ঘোষ হাসপাতাল (Hospital) থেকে ছাড়া পেলেও খগেন এখনও চিকিৎসাধীন। চোখের নীচে পাথরের আঘাতে ভেঙে যাওয়া হাড়ের (Facial Bone) অস্ত্রোপচার (Surgery) হতে পারে কয়েকদিনের মধ্যেই।

তবে খগেনের সঙ্গে যে বিধায়ক শঙ্কর ঘোষও আক্রান্ত হয়েছিলেন, তিনি কিছুটা সুস্থ হতেই শনিবার ফের পৌঁছে গেলেন সেই বামনডাঙায়—ত্রাণ (Relief) বিলিতে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার পরও মানুষের পাশে দাঁড়াতে ফের হাজির শঙ্কর ঘোষ। গাড়ি থেকে নেমেই তিনি ত্রাণসামগ্রী বিলি শুরু করেন, কথা বলেন স্থানীয় মানুষের সঙ্গে।

গত সোমবার দুর্যোগকবলিত এলাকায় গিয়েই আক্রান্ত হন দুই নেতা। অভিযোগ, তাঁদের ঘিরে ধরে গালিগালাজ করা হয়, তারপর লাঠি, জুতো, এমনকি নদী থেকে তোলা পাথর (Stones) দিয়েও হামলা চালানো হয়। খগেন মুর্মুর চোখের নীচের হাড় চুরমার হয়ে যায়, গাড়ির কাচ ভাঙে, শঙ্কর ঘোষকে ধাক্কা দিয়ে ফেলা হয়। কোনও মতে গাড়ির সিটের (Seat) নিচে মাথা ঢুকিয়ে প্রাণ বাঁচান তিনি।

ঘটনার পর শঙ্করের ভিডিওতে দেখা যায়, রক্তাক্ত খগেন গাড়িতে বসে আছেন, তাঁর পাঞ্জাবি রক্তে ভেজা। গাড়ির সমস্ত কাচ ভাঙা। সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই নিন্দার ঝড় ওঠে। বিজেপি সরাসরি অভিযোগ করে, তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) কর্মীরাই এই হামলা করেছে। যদিও শাসক দলের দাবি, স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভ থেকেই এই ঘটনা, এর সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই।

Advertisement
ads

হামলার ঠিক ছ’দিন পর, দলীয় দায়িত্বে ফের বামনডাঙায় হাজির হয়ে শঙ্কর ঘোষ জানান,

“আমি কথা দিয়েছিলাম, সুস্থ হয়ে আবার ফিরে আসব। মানুষের পাশে থাকাই আমার কর্তব্য।”

অন্যদিকে খগেন মুর্মু এখনও হাসপাতালে। তাঁর চোখের নীচে ফাটল ধরা হাড়ে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। আপাতত তাঁর অবস্থার দিকে নজর রাখছেন চিকিৎসকেরা।

এদিকে স্থানীয় এলাকায় এখনও মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces)। এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক থাকলেও শঙ্করের এই ফেরা তাঁদের মনে সাহস জুগিয়েছে বলে অনেকে জানিয়েছেন।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement