দুর্গাপুর মেডিক্যাল পড়ুয়ার গণধর্ষণ, দোষীরা ছাড় পাবে না জানালো রাজ্য পুলিশ
Connect with us

ভাইরাল খবর

দুর্গাপুর মেডিক্যাল পড়ুয়ার গণধর্ষণ, দোষীরা ছাড় পাবে না জানালো রাজ্য পুলিশ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ নারী নিরাপত্তা (women safety) নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে বাংলার রাজনীতিতে। বিরোধীদের তোপের মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্য প্রশাসনকে। তবে, সাম্প্রতিক দুর্গাপুর (Durgapur) গণধর্ষণ (gang rape) কাণ্ডে রাজ্য পুলিশের জিরো টলারেন্স (zero tolerance) নীতি আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের তরফে জানানো হয়েছে, “দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ (private medical college) ক্যাম্পাসের বাইরে এক ডাক্তারি পড়ুয়ার উপর যৌন নির্যাতনের (sexual assault) ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। কোনও দোষীকে রেয়াত করা হবে না। নির্যাতিতার যন্ত্রণা আমাদেরও, ওড়িশার (Odisha) মতোই বাংলা তাঁর পাশে রয়েছে।”

রাজ্য পুলিশের X (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকেও একই বার্তা শেয়ার করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, “গুজবে কান দেবেন না। নির্যাতিতা তরুণী ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন। পরিবারকে সবরকম সাহায্য করা হচ্ছে।”

এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার (arrested) করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে চলছে ড্রোন (drone) সহ তল্লাশি। পরাণগঞ্জ কালীবাড়ি শ্মশান সংলগ্ন জঙ্গল ও আশপাশের গ্রাম চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

কী ঘটেছিল সেদিন?

দ্বিতীয় বর্ষের ওই এমবিবিএস (MBBS) ছাত্রী ওড়িশার জলেশ্বরের (Jaleswar) বাসিন্দা। থাকেন কলেজের হস্টেলে। অভিযোগ, শুক্রবার রাতে এক বন্ধুর সঙ্গে খাবার খেতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকেই জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে তাঁর উপর ঘটে নির্মম অত্যাচার।

নির্যাতিতার বাবার কথায়, “রাত ১০টা নাগাদ মেয়ের বন্ধু আমাকে ফোন করে। তাড়াতাড়ি চলে আসি। জানতে পারি, সাড়ে ৯টা নাগাদ গেটের কাছে খাবার খেতে নিয়ে যায় এক ছেলে। এরপর আরও ২-৩ জন এসে পড়ে। ছেলেটি পালিয়ে যায়। একজন আমার মেয়েকে ধর্ষণ (rape) করে। মোবাইল কেড়ে নিয়ে ৩ হাজার টাকা চায়। দিতে না পারায় ফের আসে সেই ছেলেটা। তখন আরও ৪-৫ জন ছিল। ৩০০ টাকা দিয়ে ওরা মেয়েকে ফিরিয়ে দেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল সে।”

Advertisement
ads

উল্লেখ্য, ঘটনা যেখান থেকে ঘটেছে, সেই জঙ্গল দুর্গাপুরের ওই কলেজ থেকে মাত্র ১ কিমি দূরে। এত কাছে নিরাপত্তা (security) কেন ভেঙে পড়ল, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। কাঠগড়ায় কলেজ প্রশাসনও।