রথযাত্রায় শুভেচ্ছা বার্তা প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর! মায়াপুরে ইসকনের উৎসবে সপরিবারে  মাতলেন দিলীপ ঘোষ
Connect with us

ধর্ম

রথযাত্রায় শুভেচ্ছা বার্তা প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর! মায়াপুরে ইসকনের উৎসবে সপরিবারে  মাতলেন দিলীপ ঘোষ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রথযাত্রার (Rath Yatra) পবিত্র তিথিতে দেশবাসীর উদ্দেশে শুভেচ্ছাবার্তা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সামাজিক মাধ্যমে (Social Media) প্রকাশিত পৃথক বার্তায় দু’জনেই মহাপ্রভু জগন্নাথের আশীর্বাদে সকলের সুখ, শান্তি, সুস্বাস্থ্য (Health) ও সমৃদ্ধি (Prosperity) কামনা করেছেন। একই দিনে মায়াপুরের ইসকন (ISKCON) চন্দ্রোদয় মন্দিরে মা ও স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে পুজো ও বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিজেপি (BJP) নেতা দিলীপ ঘোষ।

সামাজিক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, রথযাত্রা ভারতের চিরন্তন আধ্যাত্মিক (Spiritual) ও সাংস্কৃতিক (Cultural) ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল প্রতীক। এই উৎসব বিনম্রতা, সম্মিলিত অংশগ্রহণ এবং নিঃস্বার্থ সেবার আদর্শকে আরও সুদৃঢ় করে। তিনি মহাপ্রভু জগন্নাথের কাছে সকলের সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং দেশে ঐক্য ও কল্যাণের প্রার্থনা জানান।

Advertisement
ads ads

অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর শুভেচ্ছাবার্তায় শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেব, বলভদ্র দেব ও দেবী সুভদ্রার চরণে প্রণাম জানিয়ে সকলের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। পাশাপাশি দেশ, সমাজ এবং সমগ্র মানবজাতির সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল ও কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করেন। রথযাত্রা উপলক্ষে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনাও জানান তিনি।

Advertisement
ads ads

এদিন সকালে মায়াপুরের ইসকন চন্দ্রোদয় মন্দিরে পৌঁছে দিলীপ ঘোষ আরতিতে (Aarti) অংশ নেন। পরে গোসেবা (Cow Service) করেন, নিজের হাতে গোমাতাকে খাদ্য খাওয়ান, পা ধুয়ে প্রণাম জানান এবং স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে যজ্ঞানুষ্ঠানেও (Yajna) অংশগ্রহণ করেন।

PM narendra modi and CM suvendu adhikari extend Rath Yatra greetings, dilip ghosh is in mayapur

পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) জন্য বিজেপির দরজা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, “মশা, মাছি পর্যন্ত আর ঢুকতে পারবে না।” তবে মদন মিত্রের সম্ভাব্য দলবদল প্রসঙ্গে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি। ধর্মীয় আবহের মধ্যেই তাঁর এই রাজনৈতিক মন্তব্য নতুন করে রাজ্য রাজনীতিতে আলোচনা শুরু করেছে।