মুর্শিদাবাদ পুলকার দুর্ঘটনা, ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কড়া তদন্তের নির্দেশ
Connect with us

রাজ্যের খবর

মুর্শিদাবাদ পুলকার দুর্ঘটনা, ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কড়া তদন্তের নির্দেশ

Dipa Chakraborty

Published

on

বহরমপুর: মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের কর্ণসুবর্ণে ঘটে গেল এক অত্যন্ত মর্মান্তিক পুলকার দুর্ঘটনা (Pool Car Accident)। রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ওই পুলকারটি একেবারে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় (Tragic Incident) ৪টি শিশুসহ মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন, যাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক (Critical Condition)। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার পরই সামাজিক মাধ্যমে (Social Media) গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই ঘটনায় কোনও ধরনের গাফিলতি (Negligence) বরদাস্ত করা হবে না। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ঘটনার পরপরই রাজ্য পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে দায়িত্বে থাকা রেল গেটম্যানকে (Gatekeeper) গ্রেফতার করেছে। দুর্ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই পূর্ণাঙ্গ তদন্তের (Complete Investigation) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

দুর্ঘটনাগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য (Financial Assistance) দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি, আহতদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ খরচও বহন করবে রাজ্য সরকার।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ইতিমধ্যেই মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ হাসপাতালে পৌঁছে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন। পাশাপাশি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন জেলাশাসক (District Magistrate) এবং পুলিশ সুপার (Superintendent of Police)। অন্যদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় ব্যক্তিগতভাবে পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন এবং চিকিৎসাধীনদের সর্বোত্তম চিকিৎসা (Medical Care) নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

Advertisement
ads ads

ঘটনার পর রেল কর্তৃপক্ষের (Railway Authority) পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

এদিকে, এই ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভ গিয়ে পড়েছে কর্তব্যরত গেটম্যানের ওপর। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই গেটম্যান প্রায়শই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় (Intoxicated State) ডিউটি করতেন। শুক্রবারও নেশার ঘোরে থাকার কারণেই তিনি সঠিক সময়ে লেভেল ক্রসিংয়ের (Level Crossing) গেট বন্ধ করেননি বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের।

পূর্ব রেলও (Eastern Railway) প্রাথমিক তদন্তে স্বীকার করেছে যে, ট্রেনটি যখন লেভেল ক্রসিং অতিক্রম করছিল, তখন গেটটি খোলাই ছিল। তবে রেলের দাবি, সিগন্যাল ব্যবস্থায় (Signaling System) কোনও ত্রুটি ছিল না। ফলে তদন্তের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে এখন ওই গেটম্যানের ভূমিকাই রয়েছে।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads