গত বৃহস্পতিবার সকালে পাটনার পারস হাসপাতালের (Paras Hospital) আইসিইউ-তে ঢুকে গুলি করে খুন করা হয় জেলবন্দি কুখ্যাত দুষ্কৃতী চন্দন মিশ্রকে। অভিযুক্ত শুটার তৌসিফ রাজা ওরফে বাদশা (Tausif Raja alias Badshah) সরাসরি কেবিনে ঢুকে গুলি চালায়। বেডেই মৃত্যু হয় চন্দনের। তার সঙ্গেই গুলিতে আহত হন অ্যাটেন্ড্যান্ট দুর্গেশ কুমার (Durgesh Kumar)।
আরও পড়ুনঃ ‘জয় মা কালী’ বলে শুরু, তৃণমূলের কটাক্ষ—এবার মোদী যাবেন ডিটেনশন শিবিরে?
তদন্তে উঠে আসে, বাদশার চার সহযোগী— আকিব মালিক (Aqib Malik), সোনু (Sonu), কালু ওরফে মুস্তাকিম (Kalu alias Mustaqim), এবং বলবন্ত সিং ওরফে ভিন্ডি (Balwant Singh alias Bhindi)—পালিয়ে বাংলায় আশ্রয় নেয়। শেষমেশ তাদের নিউটাউন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তৌসিফ সম্পর্কে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। পাটনার এক নামী ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের প্রাক্তনী সে, তার মা শিক্ষিকা এবং বাবা ব্যবসায়ী হলেও, সে কিশোর বয়সেই অপরাধ জগতে পা রাখে। পেশাদার খুন, সুপারি কিলিং, নিজের গ্যাং গঠন—এতকিছু সে অল্প সময়েই গড়ে তোলে। বিহার পুলিশের মতে, চন্দনই একসময় এই গ্যাংয়ের বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দিয়েছিল। সেই কারণেই আক্রোশে খুন করা হয়ে থাকতে পারে চন্দনকে, যার বিরুদ্ধেও একাধিক খুনের মামলা ছিল।
এই ঘটনায় চন্দনের বাবা মন্টু মিশ্র (Montu Mishra) এবং আহত দুর্গেশের অভিযোগের ভিত্তিতে পৃথক দুটি FIR দায়ের হয়েছে। তদন্তে নামানো হয়েছে একাধিক শাখা। বাংলায় ধরা পড়া দুষ্কৃতীদের নিয়ে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দুই রাজ্যে।