কলকাতা
এসি লোকালেও রেহাই নেই যাত্রীদের, অফিস টাইমে ভিড়ে দমবন্ধ অবস্থা
ডিজিটাল ডেস্কঃ দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হয়েছে শিয়ালদহ-বনগাঁ (Sealdah-Bongaon) এসি লোকাল (AC Local) পরিষেবা। নিত্যযাত্রীদের (Daily Commuters) কাছে এটি ছিল একপ্রকার সুখবর। ভেবেছিলেন, এই ট্রেন হয়তো মুক্তি দেবে প্রতিদিনের তীব্র ভিড় (Overcrowding) ও দমবন্ধ পরিস্থিতি (Suffocation) থেকে।
কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই সেই আশায় জল ঢেলেছে বাস্তব। যাত্রীরা জানাচ্ছেন, এসি ট্রেনেও ভিড় এতটাই বেশি যে আরাম নয়, বরং অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও শ্বাসকষ্টের মতো অবস্থা তৈরি হচ্ছে।
শুক্রবার থেকে চালু হওয়া এই এসি পরিষেবায় মাত্র দু’দিন যেতে না যেতেই সোমবার থেকে শুরু হয়েছে অসন্তোষের সুর। বিশেষ করে সকালবেলার অফিস টাইমে ডাউন ট্রেনে এতটাই ভিড় যে গেট পর্যন্ত ঠাসা, দাঁড়িয়ে থাকাও মুশকিল।
যাত্রীরা অভিযোগ করছেন, অনেকেই ভেবেছিলেন বেশি ভাড়া (Fare) দিয়ে হলেও অন্তত স্বস্তিতে পৌঁছতে পারবেন কর্মস্থলে। বনগাঁ থেকে শিয়ালদহ ভাড়া ১২৪ টাকা, হাবড়া থেকে ৯০ টাকা। কিন্তু এত দাম দিয়েও আরাম মিলছে না। কেউ কেউ আবার ফিরে যাচ্ছেন জেনারেল (General) ট্রেনে।
এসি ট্রেনের অন্যতম আকর্ষণ হওয়া উচিত ছিল আরামদায়ক যাত্রা (Comfortable Journey)। যাত্রীরা বলছেন, যদি জেনারেলের মতোই ঠাসাঠাসি ভিড় হয়, তাহলে এসি লোকালের বিশেষত্ব (Specialty) কোথায়?
অনেকের মতে, মূল সমস্যা শাটল ট্রেনের (Shuttle Train) ঘাটতি। যেহেতু বিকল্প কম, তাই অফিস টাইমে সবাই একসঙ্গে চড়ে পড়ছেন এসি লোকালে।
নিত্যযাত্রীদের একটা বড় অংশের দাবি, এই সমস্যা মেটানো সম্ভব শুধুমাত্র অতিরিক্ত এসি লোকাল চালু করলেই।
উল্লেখযোগ্যভাবে, আপ ট্রেনে ভিড় কিছুটা হলেও কম— এমনটাই জানিয়েছেন বহু যাত্রী। তবে ডাউন লাইনে, বিশেষ করে সকালে, তীব্র চাপ সামলাতে প্রয়োজন আরও পরিকল্পিত পদক্ষেপ।


