ভাইরাল খবর
নতুন নিয়মে উচ্চমাধ্যমিকের সূচনা, সেমিস্টারে ওএমআর শিটে পরীক্ষায় বসল পড়ুয়ারা
ডিজিটাল ডেস্কঃ চলতি বছর থেকেই আমূল পরিবর্তন এসেছে উচ্চমাধ্যমিক (Higher Secondary) পরীক্ষার নিয়মে। সোমবার থেকে প্রথমবারের মতো সেমিস্টার পদ্ধতিতে (Semester System) শুরু হয়েছে পরীক্ষা। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই, পুজোর আগে শুরু হয়েছে প্রথম সেমিস্টারের (First Semester) এই নতুন নিয়মের পরীক্ষা। দ্বিতীয় সেমিস্টার হবে আগামী বছর মার্চে। দুই সেমিস্টারের নম্বর (Marks) মিলিয়েই প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ফলাফল (Final Result)।
সোমবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলেছে প্রথম দিনের পরীক্ষা। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এবার পরীক্ষার সময়সীমা (Exam Duration) নির্ধারিত হয়েছে ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট। প্রথমবারের মতো, পরীক্ষার্থীরা (Candidates) ওএমআর (OMR) শিটে উত্তর দিচ্ছে— যা এর আগে স্কুল স্তরের (School Level) কোনও পরীক্ষায় হয়নি।
প্রশ্নপত্র তৈরি হয়েছে বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি এবং অলচিকি ভাষায়। গোটা রাজ্যে ২ হাজার ১০৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ১২২টিকে চিহ্নিত করা হয়েছে স্পর্শকাতর (Sensitive Centre) হিসেবে। সেই কারণে নিরাপত্তা বাড়াতে প্রতিটি কেন্দ্রেই নজরদারি (Surveillance) বাড়ানো হয়েছে। প্রতিটি প্রবেশপথ (Entry Point) এবং ভেন্যু সুপারভাইজরের (Venue Supervisor) ঘরে বসানো হয়েছে সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরা।
কর্তৃপক্ষের তরফে কড়া নির্দেশ, পরীক্ষার সময়ে কোনও রকম হেনস্থা (Harassment) বা নিয়মভঙ্গ (Violation of Rules) করলে বাতিল (Cancelled) হয়ে যাবে পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা।
এই বছর পরীক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ৬ লক্ষ ৬০ হাজার। কেন্দ্র নির্ধারণের সময় বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে যাতে বৃষ্টি বা জল জমার কারণে পরীক্ষার্থীদের অসুবিধা না হয়। প্রয়োজনে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, গত বছর পর্যন্ত বছরে একবারই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হতো। কিন্তু জাতীয় শিক্ষানীতি (National Education Policy) ও রাজ্যের শিক্ষা নীতির (State Education Policy) নির্দেশ অনুসারে, ২০২৫ সাল থেকে চালু হয়েছে সেমিস্টার পদ্ধতি। চলতি বছরের জুন মাসেই শিক্ষা সংসদ জানিয়ে দেয় যে এবার থেকে ওএমআর শিটের কার্বন কপি (Carbon Copy) পরীক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
যাঁরা এখন সেমিস্টারে পরীক্ষা দিচ্ছেন, তাঁরা সবাই ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী।
নতুন নিয়মের ফলে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও উদ্বেগ। তবে শিক্ষা দপ্তর (Education Department) আশাবাদী যে এই নতুন ব্যবস্থা ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করাবে।


