হামলা
ভারতের মিসাইল হানায় পাকিস্তানের এফ-১৬ ধ্বংস, সীমান্তে যুদ্ধপরিস্থিতির আশঙ্কা
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defence System) থেকে ছোড়া সারফেস-টু-এয়ার মিসাইলের (Surface-to-Air Missile) আঘাতে পাকিস্তান বায়ুসেনার (Pakistan Air Force) একটি এফ-১৬ (F-16 Fighter Jet) যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়েছে। প্রতিরক্ষা সূত্রে খবর, বিমানটি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সরগোধা বিমানঘাঁটি (Sargodha Airbase) থেকে উড়েছিল এবং সেখানেই ভারতীয় বাহিনীর নিশানায় পড়ে ধ্বংস হয়।
সূত্রের দাবি, এই প্রতিক্রিয়া পাকিস্তানের ধারাবাহিক উসকানিমূলক কার্যকলাপের প্রত্যুত্তর হিসেবেই দেখা উচিত। বুধবার রাত ও বৃহস্পতিবার (৮ মে) ভোররাত থেকে পাকিস্তানের তরফে একাধিক ড্রোন ও মিসাইল দিয়ে জম্মু, পাঠানকোট ও উদমপুরের মতো সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা চালানো হয়।
আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানের সামনে আরও বিপদ, অপারেশন সিঁদুর এখনও শেষ হয়নি! বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ভারতীয় সেনার শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বলয়েই সেই সমস্ত আক্রমণ ব্যর্থ হয়। জম্মুর আরএস পুরা, সাম্বা ও হিরানগরের মতো এলাকায় রাতভর ভারী গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। পাকিস্তান আরও এক ধাপে এগিয়ে রাতের দিকে জম্মু বিমানবন্দর সহ একাধিক এলাকায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করে। তবে ভারতীয় এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থা সেই হামলাও প্রতিহত করে দেয়। অবস্থা এতটাই সঙ্কটজনক হয়ে ওঠে যে জম্মু, শ্রীনগর, রাজস্থান ও গুজরাতের পাক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় সাইরেন বাজিয়ে সতর্কতা জারি করা হয় এবং ব্ল্যাকআউট কার্যকর করা হয়।
ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, পাকিস্তানের একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করতে এস-৪০০ (S-400) মিসাইল সিস্টেম ব্যবহৃত হয়। সেই প্রযুক্তি দিয়েই পাকিস্তানের একাধিক ড্রোন ও মিসাইলকে আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। প্রতিরক্ষা দপ্তরের ‘ইন্টিগ্রেটেড ডিফেন্স স্টাফ’ (Integrated Defence Staff) এক বিবৃতিতে জানায়, পাকিস্তানের লক্ষ্য ছিল জম্মু, পাঠানকোট ও উদমপুরের সামরিক ঘাঁটিগুলি। কিন্তু ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর সক্রিয়তা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় সেই আক্রমণ ব্যর্থ হয় এবং পাল্টা আঘাতে লাহোরের একটি এয়ার ডিফেন্স সাইটও (Air Defence Site) নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়।
এছাড়া, নয়াদিল্লি দাবি করেছে, ভারতীয় বাহিনী ‘হার্পি ড্রোন’ (Harpy Drone) ব্যবহার করে পাকিস্তানের রাডার ব্যবস্থা ভেঙে ফেলেছে। এই হামলার পর পাকিস্তানের ভূখণ্ডে ছড়িয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষ থেকে পাক আগ্রাসনের একাধিক প্রমাণও উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।
চিন্তাজনকভাবে, প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে এত বড় সামরিক উত্তেজনা আর দেখা যায়নি। সীমান্ত এলাকায় সেনা মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে, চলছে কড়া নজরদারি। দুই দেশের মধ্যে এখন কার্যত যুদ্ধাবস্থা।
