এবার বীরভূমের দায়িত্বে নগেন্দ্র ত্রিপাঠি, নগেন্দ্র কেন? প্রশ্ন ডেরেকের
Connect with us

রাজ্যের খবর

এবার বীরভূমের দায়িত্বে নগেন্দ্র ত্রিপাঠি, নগেন্দ্র কেন? প্রশ্ন ডেরেকের

Dipa Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক, ২০ এপ্রিল : খাকি উর্দিতে দাগ নেব না নন্দীগ্রামে ভোটের দিন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোখে চোখ রেখে মেরুদণ্ড সোজা রেখে ঠিক এভাষাতেই কথা বলছিলেন আই পি এস নগেন্দ্র ত্রিপাঠি।

সেই নগেন্দ্র ত্রিপাঠিকে এবারে অনুব্রত মণ্ডলের জেলা বীরভূমের এস পি করে পাঠাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ভোটে কার্যত অনুব্রত মণ্ডলের খেলা বন্ধ করতেই কমিশনের এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। উল্লেখ্য নন্দীগ্রামে ভোটের সময় কড়া ধাঁচের আই পি এস নগেন্দ্র ত্রিপাঠিকে জেলা পুলিশ সুপার করে পাঠিয়েছিল কমিশন। নন্দীগ্রামে ভোটের দিন যখন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুথের বারান্দায় বসে ভোট নিয়ে একাধিক অভিযোগ করছিলেন, তখন শাসক দল ও রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের সামনে দাঁড়িয়ে নগেন্দ্র ত্রিপাঠি খাকি উর্দির কলার দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছিলেন এই পোষাকে দাগ লাগতে দেব না। এমন কথা ওই আই পি এসের ওপর রুষ্ট হয়েছিলেন ঠিক কিন্তু কিছু করার ছিল না তাঁর। সেই নির্ভিক আই পি এস অফিসারকেই বীরভূমের জেলা পুলিশ সুপার করে পাঠাচ্ছে কমিশন। যাতে ভোটে সাধারণ মানুষ তথা ভোটাররা নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। উল্লেখ্য বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন (WB Assembly Election 2021) শুরু হওয়ার আগে নির্বাচনী বিধি মেনে পুলিশ আধিকারিকদের রুটিন বদলি হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের তরফে। সেসময়ে বীরভূমের এসপি শ্যাম সিংকে বদলি করে আনা হয়েছিল মীরাজ খালিদকে। ভোটের মাঝেই আবার এই পদে বদল করল কমিশন। মীরাজ খালিদকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হল IPS নগেন্দ্র ত্রিপাঠীকে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মত, এই সিদ্ধান্ত থেকেই স্পষ্ট, উত্তেজনাপ্রবণ বীরভূম জেলাকে এবারের ভোটে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষত এখানকার দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mandal) আগেই নজরবন্দি করা হয়েছে। তাঁর প্রতিটি গতিবিধির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। নগেন্দ্র ত্রিপাঠীকে এই জেলার দায়িত্ব দেওয়ার অন্যতম কারণ এটাই। বীরভূম জেলার ১১ টি কেন্দ্র ভোট শেষ দফায়, ২৯ এপ্রিল। এদিকে নগেন্দ্র ত্রিপাঠিকে বীরভূমের দায়িত্বে আনায় কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে তৃণমূল৷ কেন নগেন্দ্রকে পাঠানো হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন৷

Continue Reading
Advertisement