বিজেপিতে যোগ দিয়েও ফের তৃণমূলে ফিরলেন মালদা জেলা পরিষদের সদস্য, যদিও তৃণমূলেই ছিলেন বলে দাবী ওই সদস্যের
Connect with us

মালদা

বিজেপিতে যোগ দিয়েও ফের তৃণমূলে ফিরলেন মালদা জেলা পরিষদের সদস্য, যদিও তৃণমূলেই ছিলেন বলে দাবী ওই সদস্যের

Dipa Chakraborty

Published

on

নিজস্ব সংবাদদাতা , হরিশ্চন্দ্রপুর , ১৮ মার্চ : বিজেপিতে যোগদানের খবর রটলেও মালদা জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে তৃণমূলেই আছেন বলে দাবী করলেন মালদা জেলা পরিষদ সদস্য সন্তোষ চৌধুরী। এই মর্মে বৃ্হস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি।

উল্লেখ্য সপ্তাহখানেক আগে মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌড়চন্দ্র মন্ডলের নেতৃত্বে জেলা পরিষদের প্রায় ১৪জন সদস্য বিজেপিতে যোগদান করে।এমনকী তার ফলে মালদা জেলা পরিষদ বিজেপির দখলে চলে এলো বলে দাবী করে বিজেপি নেতৃত্ব।দলবদলকারী এই সদস্যদের তালিকায় নাম ছিল হরিশ্চন্দ্রপুর ৯ নম্বর জেলা পরিষদ আসনের সদস্য সন্তোষ চৌধুরীরও। এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে নিন্দার ঝড় ওঠে নেটাগরিকদের মধ্যে। এমনকী দলবিরোধী আচরণের জন্য তাকে বরখাস্তও করা হয়। এরপরেই বৃ্হস্পতিবার দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন জেলা পরিষদ সদস্য সন্তোষ চৌধুরী।
তিনি বলেন, বিজেপিতে কোনদিনই তিনি যোগ দেননি।তাছাড়া দলত্যাগী জেলা পরিষদ সদস্যদের মধ্যে তিনি অনুপস্থিতও ছিলেন। ব্যক্তিগত কাজে তিনি বাইরে ছিলেন।তার ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই বিজেপি এই অপপ্রচার চালায়। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য হিসেবেই আছেন। আসন্ন নির্বাচনে ৪৫ নম্বর চাঁচল বিধানসভায় তৃণমূল প্রার্থী নিহার রঞ্জন ঘোষের হয়ে প্রচারেও নামবেন তিনি।অন্যদিকে সন্তোষ চৌধুরীর দলত্যাগের খবর চাউর হওয়ার পরেই ফেসবুকে সন্তোষ চৌধুরীকে বিশ্বাসঘাতক বলে অভিহিত করে পোস্ট করেছিলেন তৃণমূলের তুলসীহাটা অঞ্চল সভাপতি মনোজ রাম। এদিন মনোজ রাম বলেন, সন্তোষ চৌধুরীর বিজেপিতে যোগদানের খবর শুনেই ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন তিনি। তাছাড়া জেলা সভানেত্রী মৌসুম নূর ওনাকে দল থেকে বহিষ্কারও করেছেন। ফলে জেলা এবং ব্লক নেতৃত্বের নির্দেশ যতক্ষণ না আসে ততক্ষণ সন্তোষ চৌধুরী তৃণমূলে আছেন কি না সে বিষয়ে পরিষ্কার বলতে পারবেন না বলে জানান তিনি। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব তাকে ভয় দেখিয়ে চাপ দিয়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে বলে দাবী জেলা বিজেপি নেতৃত্বের।বিজেপির হরিশ্চন্দ্রপুর মন্ডল সভাপতি রূপেশ আগারওয়াল জানান, এরা তৃণমূল ছেড়ে বিভিন্ন শর্ত নিয়ে নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। কিন্তু বিজেপি এ ধরনের চিন্তা ভাবনা নিয়ে দল চালায় না। বিজেপিতে আসতে গেলে তাকে প্রথমে বিজেপির সাধারণ কর্মী হয়ে থাকতে হবে। এরা তাই নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ না হওয়ায় দল ছেড়ে পুরনো তৃণমূলে ফিরে গেছে।