দেশ
চাণক্য নীতির পথে ভারত! কাবুলে তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বিদেশ মন্ত্রকের দূত
ডিজিটাল ডেস্কঃ পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ হামলার রক্ত এখনও শুকোয়নি। তারই মাঝে আন্তর্জাতিক কূটনীতির অঙ্গনে ভারতের এক আকস্মিক পদক্ষেপ ঘিরে উঠেছে নানা প্রশ্ন। পাকিস্তানের ছায়া জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে চাপ তৈরির কৌশলে কি এবার আফগানিস্তানের মাটিতেই নতুন মোড় নিতে চলেছে নয়াদিল্লি?
সম্প্রতি ভারত সরকারের বিশেষ দূত আনন্দ প্রকাশ হঠাৎ করেই কাবুল সফরে যান। আফগানিস্তানের শাসক গোষ্ঠী তালিবানের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেন তিনি। তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী মৌলবি আমির খান মুত্তাকির সঙ্গে ওই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক স্থিতাবস্থা নিয়ে আলোচনা হলেও, বিষয়টি যে কেবল তা নয়, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা।
সূত্রের দাবি, পহেলগাঁও হামলায় পাকিস্তানি মদতের স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। ঘটনার পরই ভারত তিন বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখে, সীমান্তে শুরু হয় জোরদার মহড়া। সেই প্রেক্ষাপটে আফগানিস্তান সফরের সময়কালকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুনঃ শহিদ পরিবারকে অপমান, পহেলগাম ইস্যুতে রাজস্থান সরকারের সাইটে সাইবার হামলা
বিশ্লেষকদের একাংশের ধারণা, ‘শত্রুর শত্রুই বন্ধু’—এই নীতিতেই এবার কূটনৈতিক চাল ফেলছে ভারত। একদিকে ইসলামাবাদ ও তালিবান সরকারের সম্পর্কের টানাপড়েন, অন্যদিকে আফগান ভূখণ্ডের কৌশলগত অবস্থান—সবমিলিয়ে তালিবানকে পাশে পেলে পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও চাপে ফেলা যেতে পারে।
ভারতের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না এলেও কাবুল সফরের এই সময় এবং প্রেক্ষাপট, দুই মিলিয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আফগানিস্তানও এবার দক্ষিণ এশিয়ার সংঘাতে গুরুত্বপূর্ণ একটি চালচিত্র হয়ে উঠতে চলেছে।
