প্রতারণা
গাজায় গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ৩ প্যালেস্টিনীয়কে প্রকাশ্যে হত্যা করল হামাস
ডিজিটাল ডেস্কঃ গাজায় ফের রক্তাক্ত চিত্র। ইজরায়েলের (Israel) হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Espionage) অভিযোগে প্রকাশ্যে ৩ প্যালেস্টিনীয়কে (Palestinians) গুলি করে হত্যা করল হামাস (Hamas)। সেই নৃশংস ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল (Viral) সোশ্যাল মিডিয়ায়।
ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, তিনজনকে পিছমোড়া অবস্থায় চোখ বাঁধা ও হাঁটু গেড়ে বসানো হয়েছে। চারপাশে উত্তেজিত জনতার ভিড়। এক অস্ত্রধারী ব্যক্তি আরবি ভাষায় জনতার সামনে তাদের ‘অপরাধ’ ঘোষণা করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরপর গুলি—৩ জনই লুটিয়ে পড়েন মাটিতে।
#BREAKING #Hamas executes three Gazans accused of Israeli collaboration in #Gaza City, moments after UK, Canada, & Australia recognize #Palestine. Crowds cheer as the act, filmed live, starkly contrasts with Western peace efforts, what are your thoughts? #Israel pic.twitter.com/ygZEG1Pjfr
— Thepagetoday (@thepagetody) September 21, 2025
ঘটনাটি ঘটে গাজার শিফা হাসপাতালের (Shifa Hospital) বাইরে। বিবিসি (BBC) জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তারা ইজরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করেছে এবং হামাসের গোপন ডেরার (Secret Base) তথ্য ফাঁস করেছে।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ৪ জন হামাস যোদ্ধা প্রত্যেকেই আধুনিক অস্ত্র (Modern Weapons) হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তিন অভিযুক্তের চোখ বাঁধা, হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থায় জনসমক্ষে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাঠ করা হয়। এরপর একে একে তিনজনকেই গুলি করে হত্যা করা হয়।
হত্যার পরে মৃতদেহগুলোর ওপর কাগজের টুকরো রেখে লেখা হয়— ‘বিশ্বাসঘাতকরা শাস্তি পাবেই। প্রত্যেকের জন্য কঠোর শাস্তি অপেক্ষা করছে।’
হামাসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই তিনজন দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং তাদের শাস্তি দেওয়াই ন্যায্য ছিল। জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে একজন স্বীকার করেছিলেন যে তাঁর ইজরায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল, যদিও অপর একজন সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এটাই প্রথম নয়। এর আগেও গাজায় (Gaza) এ ধরনের ঘটনা সামনে এসেছে। ২০২৫ সালের মে মাসে, মানবিক সাহায্য (Humanitarian Aid) লুট করার অভিযোগে হামাস ৬ জন প্যালেস্টিনীয়কে হত্যা করে। একইসঙ্গে আরও ১৩ জনের পায়ে গুলি করা হয়েছিল।
এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আতঙ্ক এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের (Human Rights Violation) প্রশ্ন উঠেছে।
