হাদির মৃত্যু আন্দোলনের মধ্যে হিন্দু যুবককে হত্যার ঘটনায় ইউনুস সরকার মুখ খুলল
Connect with us

খুন

হাদির মৃত্যু আন্দোলনের মধ্যে হিন্দু যুবককে হত্যার ঘটনায় ইউনুস সরকার মুখ খুলল

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ১৮ ডিসেম্বর অর্থাৎ, গতকাল ময়নমসিংহে (Mymensingh) ধর্ম (religion) নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগ তুলে এক হিন্দু (Hindu) ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা (murder) এবং মৃতদেহ (body) পোড়ানোর ঘটনায় বাংলাদেশি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার (interim government) মুখ খুলেছে। নিহতের নাম দীপু চন্দ্র দাস (Deepu Chandra Das)। ঘটনার সময় স্থানীয় সময় রাত ৯টা নাগাদ ভালুকা (Valuka) উপজেলায়। দীপু তারাকান্দা (Tarakanda) উপজেলার বাসিন্দা এবং পাইওনিয়ার নিট কম্পোজিট (Pioneer Knit Composite) কারখানায় শ্রমিক (worker) ছিলেন।

ঘটনার পর ইউনুস সরকার (Yunus government) বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, “ময়নমসিংহে এক হিন্দু ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে নিন্দা (condemn) জানাই। নতুন বাংলাদেশে এই ধরনের সহিংসতা (violence) কোনো স্থান (place) পাবে না। অপরাধীদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা প্রত্যেক নাগরিককে (citizen) আহ্বান জানাই, সহিংসতা, উস্কানি ও ঘৃণাকে প্রত্যাখ্যান (reject) করতে এবং শহিদ হাদির (Shaheed Hadi) প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে।”

রিপোর্ট অনুযায়ী, দীপুর মৃতদেহ ঢাকা-ময়মনসিংহ হাইওয়েতে (Dhaka-Mymensingh Highway) নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে রাস্তার পাশে ফেলে অগ্নিসংযোগ (arson) করা হয়। এই ঘটনায় ভিডিও (video) সোশ্যাল মিডিয়ায় (social media) ভাইরাল হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা (law & order) পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এলাকায় দীর্ঘক্ষণ (hours-long) রাস্তাবন্ধ (roadblock) থাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে ‘মব সংস্কৃতি’ (mob culture) ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, বিশেষ করে হিন্দু সংখ্যালঘুদের (minorities) ওপর।

Advertisement
ads ads

২০২৪ সালের আগস্টে (August) শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নোবেল বিজয়ী মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর ভারত-বাংলাদেশ (India-Bangladesh) সম্পর্কের উত্তেজনা বেড়েছে। এর ফলে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার (persecution) ও মন্দিরে হামলা (temple attacks) ঘটছে। বহু হিন্দু সীমান্ত পার হয়ে ভারতে (India) আশ্রয় (refuge) নিচ্ছেন। ঐতিহাসিকভাবে হিন্দুরা আওয়ামী লীগের (Awami League) ভোটার (voter) হিসেবে চিহ্নিত। এই আবহে কট্টরপন্থীরা আরও বেশি চড়াও হয়েছে।

Continue Reading
Advertisement ads