‘ধর্ষকদের এনকাউন্টার হোক’! বারুইপুর কাণ্ডে সরব কামদুনির প্রতিবাদীরা
Connect with us

ভাইরাল খবর

‘ধর্ষকদের এনকাউন্টার হোক’! বারুইপুর কাণ্ডে সরব কামদুনির প্রতিবাদীরা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের পুলিশের এনকাউন্টার (Encounter)-এ মৃত্যুর পর রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। এই ঘটনাকে ঘিরে এবার প্রতিক্রিয়া দিলেন কামদুনি আন্দোলনের প্রতিবাদী মুখ মৌসুমী কয়াল, টুম্পা কয়াল, নির্যাতিতার ভাই এবং তামান্না খাতুনের মা।

কামদুনি নির্যাতিতার ভাই বলেন, বারুইপুরের ঘটনায় পুলিশের পদক্ষেপ দেখে তাঁর মনে হয়েছে, ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে দোষীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তাঁর দাবি, কামদুনি মামলার যাঁরা এখনও বাইরে রয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা (Legal Action) নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরনের অপরাধ রুখতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রয়োজন।

কামদুনি আন্দোলনের অন্যতম মুখ মৌসুমী কয়াল বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই ধর্ষণ মামলায় বিচার (Justice) বিলম্বিত হয়েছে। তাঁর মতে, তদন্ত (Investigation) সম্পূর্ণ হওয়ার পর দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হলে সমাজে অপরাধের প্রবণতা কমবে। তিনি কামদুনি ও আরজি কর-সহ বিভিন্ন ঘটনার দ্রুত বিচারও দাবি করেন।

অন্য প্রতিবাদী মুখ টুম্পা কয়ালও বলেন, নারীদের বিরুদ্ধে নৃশংস অপরাধে দোষীদের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত হওয়া জরুরি। তাঁর অভিযোগ, অতীতে বহু ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়েছে, ফলে অপরাধীদের মধ্যে ভয় কমেছে।

Advertisement
ads ads

অন্যদিকে, গত বছর কালীগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে নিহত তামান্না খাতুনের মা সাবিনা ইয়াসমিনও পুলিশের পদক্ষেপের সমর্থন জানান। তাঁর বক্তব্য, নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ (Law Enforcement) হলে ভবিষ্যতে অপরাধ কমতে পারে। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, তাঁর মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদেরও উপযুক্ত শাস্তি হবে।

বারুইপুর কাণ্ডের তদন্ত এখনও চলছে। পুলিশের দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণ (Crime Reconstruction) চলাকালীন অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করে এবং এক পুলিশকর্মীর অস্ত্র ছিনিয়ে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। এরপর আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালানো হয়। পুরো ঘটনার আইনি তদন্ত এবং সরকারি রিপোর্টের দিকেই এখন নজর রয়েছে।