বাংলাদেশ
হাদি হত্যার ‘অজুহাতে’ কট্টরপন্থীরা বাংলাদেশে নির্বাচন বানচালের পরিকল্পনা শুরু করেছে
ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলাদেশে ইসলামপন্থী (Islamist) ও কট্টরপন্থী (extremist) দলের নেতারা ওসমান হাদি হত্যার জন্য ভারতের (India) ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। সেই হত্যা (murder) ঘটনা কেন্দ্র করে এবার নির্বাচন (election) বানচালের পরিকল্পনা (plot) শুরু করেছে খেলাফত (Khelafat) আন্দোলনের নেতারা।
রিপোর্ট অনুযায়ী, নেত্রকোনা-২ আসনের প্রার্থী গাজি আবদুর রহিম রুহি দাবি করেছেন, হাদি হত্যার বিচার (justice) না হলে তারা নির্বাচনতে অংশ নেবেন না। তিনি বলেন, “ভারতীয় প্রেসক্রিপশনে (Indian prescription) পরিকল্পিতভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে (broad daylight) আমার ভাই হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নির্বাচন পরে হবে। আগে আমার ভাইয়ের রক্তের হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”
কট্টরপন্থীরা প্রথম থেকেই নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল (possible outcome) নিয়ে সন্দিহান। তারা ইসলামি ইউনুস সরকারের (Islamic Yunus government) ক্ষমতা বজায় রেখে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে চায়। রুহি আরও সতর্ক করেছেন, “যদি হত্যার বিচার নিশ্চিত না হয়, দেশে আরও একটি গণঅভ্যুত্থান (popular uprising) গড়ে উঠবে। জনগণ আর অন্যায় (injustice) সহ্য করবে না।”
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মহম্মদ মামুনুল হক ও মহাসচিব জালালউদ্দিন আহমেদ যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণআন্দোলনের পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে যে নির্ভীক কণ্ঠ বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিল, শহিদ হাদি তাদের অন্যতম। ভারতীয় আধিপত্যবাদ (Indian imperialism), আওয়ামী ফ্যাসিবাদ (Awami fascism) ও দেশীয় বুদ্ধিবৃত্তিক (local intellectual) দালালদের বিরুদ্ধে তিনি সরব ছিলেন। হাদির ওপর হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রতিশোধ। ফ্যাসিবাদ নির্মূল হয়নি, তারা এখনও রাষ্ট্রের ভিতরে ও বাইরে আশ্রয় নিয়ে জনগণের কণ্ঠ (voice) দমন করতে চায়।”


