হেডলাইট ছাড়া রাতের টোটো চলাচলে জরিমানা, লাগু হচ্ছে ‘নো রিফিউজাল’ পরিষেবা
Connect with us

জেলার খবর

হেডলাইট ছাড়া রাতের টোটো চলাচলে জরিমানা, লাগু হচ্ছে ‘নো রিফিউজাল’ পরিষেবা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ শহরের রাস্তায় টোটো (Toto) চলাচলকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে এবার কঠোর পদক্ষেপ নিল জলপাইগুড়ি পুরসভা (Municipality)। যাত্রী নিরাপত্তা (Passenger Safety) এবং চালকদের অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে আনতে কার্যকর হচ্ছে একগুচ্ছ নতুন নিয়ম।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ—এখন থেকে ১৮ বছরের কম বয়সি (Underage) কেউ টোটো চালাতে পারবে না। নিয়ম কার্যকর করতে বুধবার থেকে শহরে শুরু হয়েছে মাইকিং (Announcement)। চলবে টানা তিন দিন। এরপর থেকে নিয়ম ভাঙলে প্রশাসন ধরপাকড় অভিযান (Enforcement Drive) শুরু করবে।

পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনেক নাবালক (Minor) চালক কোনওরকম প্রশিক্ষণ ছাড়াই রাস্তায় টোটো চালাচ্ছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়াচ্ছে। আরও উদ্বেগজনক, অনেক সময় চালকরা নেশাগ্রস্ত (Intoxicated) অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছেন।

এমন পরিস্থিতি রুখতেই প্রশাসনের কড়া বার্তা—

Advertisement
ads
  • প্রথমবার নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ধরা পড়লে জরিমানা ₹১,০০০

  • দ্বিতীয়বার ধরা পড়লে রেজিস্ট্রেশন (Registration) বাতিল এবং টোটো বাজেয়াপ্ত (Seize)

  • চালকের পাশে যাত্রী বসালে:

    • প্রথমবার ₹৫০০ জরিমানা

    • দ্বিতীয়বার ₹১,০০০

    • তৃতীয়বার রেজিস্ট্রেশন বাতিল ও টোটো বাজেয়াপ্ত

রাতের বেলায় হেডলাইট ছাড়া টোটো চালানো নিষিদ্ধ। ধরা পড়লে জরিমানা ₹২০০।

এছাড়াও, শহরের গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক শ্রেণির জন্য চালু হচ্ছে ‘নো রিফিউজাল (No Refusal)‘ পরিষেবা। এর আওতায়:

  • স্কুল ইউনিফর্মে থাকা ছাত্রছাত্রী (Students)

  • প্রবীণ নাগরিক (Senior Citizens)

  • বিশেষভাবে সক্ষম যাত্রী (Differently-abled)

এই শ্রেণির যাত্রীদের টোটোচালকরা ফিরিয়ে দিতে পারবেন না।

ভাড়া নিয়েও স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে:

Advertisement
ads
  • প্রথম ২ কিমি পর্যন্ত ₹১৫

  • পরবর্তী ৩ কিমি পর্যন্ত প্রতি কিমি ₹৫

  • সর্বোচ্চ ভাড়া হতে পারবে না ₹৩০-এর বেশি

ছাত্রছাত্রী ও বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য:

  • প্রথম ২ কিমি পর্যন্ত ভাড়া নির্ধারিত ₹১০

পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “রাতের অন্ধকারে হেডলাইট ছাড়া টোটো চালানো অত্যন্ত বিপজ্জনক। তাই এবার থেকে এটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে রেষারেষি ও অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে নজরদারি (Surveillance) চালানো হবে।”

Continue Reading
Advertisement