বিশ্বের খবর
অবশেষে ট্রাম্পের হাতে নোবেল মেডেল, হোয়াইট হাউসে নাটকীয় মুহূর্ত
ডিজিটাল ডেস্কঃ অবশেষে নোবেল শান্তি পুরস্কারের (Nobel Peace Prize) পদক উঠল ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) হাতে। যদিও নোবেল কমিটি (Nobel Committee) তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার দেয়নি, তবু ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো (Maria Corina Machado) নিজের প্রাপ্ত নোবেল পুরস্কারের পদক তুলে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে (White House) এক ঘণ্টার বৈঠকের মধ্যেই এই নাটকীয় মুহূর্তের সাক্ষী থাকল বিশ্ব রাজনীতি।
২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান মাচাদো। পুরস্কার ঘোষণার পর থেকেই তিনি প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, এই সম্মানের প্রকৃত দাবিদার ট্রাম্প। তাঁর দাবি ছিল, ভেনেজুয়েলায় (Venezuela) স্বাধীনতা ফেরাতে ট্রাম্প যে ভূমিকা নিয়েছেন, তার স্বীকৃতিস্বরূপই এই পদক তাঁর হাতে তুলে দেওয়া উচিত। সেই ঘোষণা অনুযায়ীই বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নিজের নোবেল মেডেল ‘উপহার’ হিসেবে দেন তিনি।
মাচাদোর বক্তব্য, ভেনেজুয়েলার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে (Nicolas Maduro) গ্রেপ্তার করে আমেরিকার সামরিক অভিযানের (Military Operation) মাধ্যমে দেশে স্বাধীনতার সূর্যোদয় হয়েছে। এই পদক্ষেপের জন্যই ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি পদক তুলে দেন। সাংবাদিকদের সামনে মাচাদো বলেন, “আমাদের স্বাধীনতা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি রক্ষার স্বীকৃতি হিসেবেই এই নোবেল পদক তুলে দিলাম।”
দীর্ঘদিন ধরেই নিজেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য বলে দাবি করে আসছিলেন ট্রাম্প। অবশেষে হাতে পদক পেয়ে একগাল হাসি তাঁর মুখে। ট্রাম্প বলেন, “যে কাজটা আমি করেছি, তার পুরস্কার মারিয়া পেয়েছিলেন। তাই তিনি সেটাই আমার হাতে তুলে দিলেন।” হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গিয়েছে, এই পদক নিজের কাছেই রাখবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
যদিও নোবেল কমিটি আগেই স্পষ্ট করেছে, এভাবে পুরস্কার হস্তান্তর আইনসিদ্ধ নয়। তবু ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) মাচাদোর প্রশংসা করে লেখেন, “তিনি একজন অসাধারণ নারী। আমার কাজের জন্য তিনি তাঁর নোবেল পুরস্কার আমাকে দিয়েছেন। ধন্যবাদ, মারিয়া!” আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।
