মেয়াদ বাড়লেও রাতারাতি দিল্লিতে বদলি আলাপন বন্দোপাধ্যায়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে কটাক্ষ শাসক দলের
Connect with us

রাজ্যের খবর

মেয়াদ বাড়লেও রাতারাতি দিল্লিতে বদলি আলাপন বন্দোপাধ্যায়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে কটাক্ষ শাসক দলের

Dipa Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক , ২৯ মে : রাজ্যের মুখ্যসচিব হিসেবে কিছুদিন আগেই মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল আলাপন বন্দোপাধ্যায়ের। ইতিমধ্যে সেই অনুমোদনও চলে এসেছিল। তারই মধ্যে রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে বদলির নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় সরকার৷

শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে রাজ্যের মুখ্যসচিব অর্থাৎ তাঁকেই চিঠি দিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। আপাতত কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কাজ করতে হবে তাঁকে। কেন্দ্র সরকারের ক্যাবিনেট নিয়োগ কমিটির এই সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। আগামী ৩১শে মে অর্থাৎ সোমবার সকাল ১০টায় তাঁকে দিল্লিতে কর্মীবর্গ ও প্রশিক্ষণ মন্ত্রকে হাজিরা দিতে হবে। গত ২৪ মে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মুখ্যসচিব পদে তিন মাসের জন্য মেয়াদ বৃদ্ধি হয়েছে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের।  গত বছর অক্টোবর মাসে মুখ্যসচিবের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। তার আগে স্বরাষ্ট্র দপ্তরের সচিব ছিলেন তিনি। এক জন আইএএস ৬০ বছর পর্যন্ত কাজ করতে পারেন। সেই অনুযায়ী ৩১শে মে মুখ্যসচিব পদে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যকাল শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার তাঁকে এই পদে রেখে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানায়। তাতে সায় দেয় কেন্দ্র। তিন মাস মেয়াদ বাড়ায় আগস্ট পর্যন্ত এই পদে কাজ করার কথা তাঁর। মুখ্যসচিবের মেয়াদ বৃদ্ধি করতে হলে কেন্দ্রের অনুমতি প্রয়োজন। সেই মতো মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই আলাপনের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানান মুখ্যমন্ত্রী। ১৯৮৭ সালের ব্যাচের আইএএস আলাপন রাজ্যের বিভিন্ন প্রশাসনিক স্তরে কাজ করেছেন। কলকাতা পুরসভার কমিশনার ছিলেন তিনি৷ এছাড়াও পরিবহণ ও শিল্প দফতরেও কাজ করেছেন। শুক্রবারই দিঘা উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। ক্ষতিগ্রস্ত দিঘাকে ফের সাজিয়ে তোলার দায়িত্ব মুখ্যসচিবকেই দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷তবে দিল্লির এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি “রাজনৈতিক প্রতিহিংসা” বলে দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “নির্বাচনের সময় দিল্লি থেকে ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করেই বাংলায় জয়ের মুখ দেখতে পারেনি বিজেপি৷ হার তাদের হজম হয় নি৷ তাঁরা চাইছেন না বাংলার মানুষ বালো থাকুক। বাংলায় কোভিড মোকাবিলা থেকে ঘূর্ণিঝড় যশের ক্ষতি সামলানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দোপাধ্যায়। তিনি দিল্লি চলে গেলে আখেরে ক্ষতি হবে বাংলার মানুষেরই। কেন্দ্র এটাই চাইছে বলে দাবী কুণাল ঘোষের।