দ্বিতীয় দিনে ডাবগ্রামে সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী
Connect with us

ভাইরাল খবর

দ্বিতীয় দিনে ডাবগ্রামে সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ সোমবার (Monday) সকালেই কলকাতা (Kolkata) থেকে বাগডোগরা (Bagdogra) হয়ে উত্তরবঙ্গে (North Bengal) পৌঁছেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরের দ্বিতীয় দিনে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মসূচিতে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী।

এই সফরের মূল আকর্ষণ ছিল শিলিগুড়ির (Siliguri) দীনবন্ধু মঞ্চে অনুষ্ঠিত রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত বিজনেস সামিট (Business Summit)। মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ৩ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট ধরে চলা এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে উত্তরবঙ্গের শিল্পোন্নয়ন এবং লগ্নির সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, “কলকাতা (Kolkata) ও দিঘার (Digha) মতো উত্তরবঙ্গেও তৈরি করা হবে একটি আধুনিক কনভেনশন সেন্টার (Convention Centre)। প্রতিবছর এই সেন্টারে হবে উত্তরবঙ্গের নিজস্ব বাণিজ্য সম্মেলন (North Bengal Trade Summit)।”

আজ, মঙ্গলবার (Tuesday) মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচির তালিকায় রয়েছে ডাবগ্রামের (Dabgram) ভিডিওকন গ্রাউন্ডে আয়োজিত ‘সরকারি পরিষেবা প্রদান’ অনুষ্ঠান। এখান থেকেই মুখ্যমন্ত্রী কয়েক হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ এসবিআই-তে ফের কমল এফডি-র সুদ, টানা দ্বিতীয় মাসে ধাক্কা সঞ্চয়কারীদের

Advertisement
ads

তবে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এই সফরের রাজনৈতিক তাৎপর্যও অনস্বীকার্য বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে (Assembly Election 2026) পাখির চোখ করে ইতিমধ্যেই প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। গত কয়েক বছরে উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাতেই তৃণমূলের জনসমর্থন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর সফর দলীয় সংগঠনকে আরও চাঙ্গা করার বার্তা বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিশেষ করে জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ও উন্নয়নমুখী কাজে শাসকদলের প্রভাব যে উত্তরবঙ্গে অনেকটাই মজবুত হয়েছে, তা রাজনৈতিক মহলে পরিষ্কার। তারই ফসল হিসেবে গত সপ্তাহে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলার প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় প্রাক্তন রাষ্ট্রমন্ত্রী জন বার্লা (John Barla) তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন, যা বিজেপির (BJP) অন্দরমহলে বেশ অস্বস্তি তৈরি করেছে বলে সূত্রের খবর।

সর্বোপরি, প্রশাসনিক সাফল্য ও রাজনৈতিক দখলদারির এই দ্বিমুখী কৌশল নিয়েই উত্তরবঙ্গ সফরে একযোগে দাওয়াই দিতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement