ওড়িশায় উদ্ধার বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের মৃতদেহ! পরিবারের দাবি রহস্যময় খুন
Connect with us

খুন

ওড়িশায় উদ্ধার বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের মৃতদেহ! পরিবারের দাবি রহস্যময় খুন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ গোয়া (Goa) থেকে কাজ সেরে কালীপুজো (Kali Puja) উপলক্ষে বাড়ি ফিরছিলেন পুরুলিয়ার (Purulia) পরিযায়ী শ্রমিক (migrant worker) রমেশ মাঝি (Ramesh Majhi)। তবে সেই ফেরা আর সম্ভব হল না। পথেই নিখোঁজ হন তিনি। এর কয়েক দিন পর ওড়িশার (Odisha) কটক (Cuttack) এলাকা থেকে উদ্ধার হল তাঁর পচাগলা দেহ (decomposed body)। পরিবারের দাবি, রমেশকে খুন (murder) করা হয়েছে। ঘটনায় এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া ও চাঞ্চল্য।

২৬ বছর বয়সী রমেশ মাঝি, পুরুলিয়ার প্রতাপপুর (Pratappur) গ্রামের বাসিন্দা। বছর দেড়েক আগে তিনি তাঁর মেজ দাদা রাজেশ মাঝির সঙ্গে গোয়ায় শ্রমিকের (worker) কাজ করতে গিয়েছিলেন। এবার কালীপুজোর ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন। পরিবারের সঙ্গে তাঁর শেষবার কথা হয় সোমবার। এরপর থেকেই তাঁর সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

পরিবারের দাবি, সোমবার ট্রেনযাত্রার (train journey) সময় রমেশ তাঁর মেজ দাদাকে ফোন করে জানান, কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে ঘিরে ধরে তাঁর ব্যাগ (bag) দেখতে চাইছে। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি। অবশেষে শনিবার রাতে রমেশের পরিবারের কাছে খবর আসে যে, ওড়িশার কটকে একটি পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে, এবং সেটি রমেশের বলে চিহ্নিত করা হয়।

রমেশের বাবা মঙ্গল মাঝি (Mangal Majhi) জানান, “আমার ছেলেকে খুন করা হয়েছে। ও ফোনে বলেছিল ট্রেনে কিছু লোক ওকে ঘিরে ধরেছে। তারপরই কোনও খোঁজ পাইনি।”

Advertisement
ads

ঘটনার খবর ছড়াতেই রমেশের বাড়িতে যান স্থানীয় তৃণমূল (Trinamool) নেতৃত্ব ও জনপ্রতিনিধিরা। মানবাজারের (Manbazar) বিধায়ক তথা মন্ত্রী সন্ধ্যারানী টুডু (Sandhya Rani Tudu) জানান, “ওড়িশা থেকে মৃতদেহ ফিরিয়ে আনার (body repatriation) প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মানবাজার থানা থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ওড়িশা প্রশাসনের (Odisha administration) সঙ্গেও আমাদের স্থানীয় প্রশাসন (local administration) যোগাযোগ রাখছে।”

এখন গোটা ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা এবং তদন্তই রমেশের পরিবারের আশা-ভরসার একমাত্র ভরকেন্দ্র। পরিবারের দাবি, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক এবং অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া হোক।

Continue Reading
Advertisement