ভাইরাল খবর
‘ভয় দেখিয়ে বাংলাকে দমানো যাবে না’, জ্ঞানেশ কুমারের কমিশনকে কড়া বার্তা তৃণমূল নেত্রীর
ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) দামামা বাজতেই নির্বাচন কমিশনের (ECI) ভূমিকা নিয়ে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, নজিরবিহীনভাবে (Unprecedented) বাংলাকে নিশানা করছে কমিশন। মুখ্যসচিব থেকে শুরু করে ডিজিপি—প্রশাসনিক স্তরে এই ব্যাপক রদবদলকে তিনি ‘রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ’ এবং ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ (Undeclared Emergency) বলে অভিহিত করেছেন।
The manner in which the Election Commission has singled out and targeted Bengal is not just unprecedented- It is deeply alarming. Even before the formal notification of elections, more than 50 senior officials including the Chief Secretary, Home Secretary, DGP, ADGs, IGs, DIGs,… pic.twitter.com/ITipND3qYr
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) March 19, 2026
ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থীর দাবি, নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারির আগেই পরিকল্পিতভাবে (Planned) রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং ডিজিপি-র মতো গুরুত্বপূর্ণ পদের আধিকারিকদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে রাজনৈতিক রঙে রাঙানো হচ্ছে, যা সরাসরি সংবিধানের মূল চেতনার ওপর আঘাত। ইতিমধ্যেই তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar) চিঠি দিয়ে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন। মমতার অভিযোগ, আইবি, এসটিএফ এবং সিআইডি-র মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার আধিকারিকদের বেছে বেছে সরিয়ে রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোকে পঙ্গু (Cripple) করার চেষ্টা চলছে।
একইসঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ সত্ত্বেও সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশ না করে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা (Uncertainty) তৈরি করা হচ্ছে। কমিশনের কাজের মধ্যে ‘দ্বিচারিতা’ খুঁজে পেয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন—যাঁদের রাজ্য থেকে সরানো হচ্ছে, তাঁদেরই আবার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অন্য রাজ্যে ‘নির্বাচনী পর্যবেক্ষক’ (Election Observer) হিসেবে কেন নিয়োগ করা হচ্ছে?
বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “বাংলার মানুষের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে গেরুয়া শিবির এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অপব্যবহার (Misuse) করছে।” স্বাধীনতার ৭৮ বছর পরও নাগরিকদের লাইনে দাঁড়িয়ে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে বাধ্য করার প্রক্রিয়াকে তিনি তীব্র ধিক্কার জানান। পরিশেষে, সরকারি আধিকারিকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে মমতা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ভয় দেখিয়ে বাংলাকে নতি স্বীকার করানো যাবে না।
