বারামতীতে শোকের ঢেউ, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অজিত পাওয়ারের শেষকৃত্য
Connect with us

ভাইরাল খবর

বারামতীতে শোকের ঢেউ, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অজিত পাওয়ারের শেষকৃত্য

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বারামতীর আকাশ-বাতাস জুড়ে আজ শুধুই শোক আর স্লোগান। ‘অজিতদাদা অমর রহে’ ধ্বনির মাঝে জনতার স্রোত চিরে এগিয়ে চলেছে এনসিপি নেতা ও মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের (Ajit Pawar) মরদেহবাহী গাড়ি। জাতীয় পতাকায় (National Flag) মোড়া কফিন ঘিরে আবেগতাড়িত মানুষ, চোখের জলে ভারী পরিবেশ।

অতিবিপুল জনসমাগম (Public Gathering) ও নিরাপত্তাজনিত কারণে শেষযাত্রার (Last Journey) রুট পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনা এড়াতে শোভাযাত্রা শহরের ভিতর দিয়ে না গিয়ে সরাসরি বিদ্যা প্রতিষ্ঠানের (Vidya Pratisthan) মাঠে পৌঁছবে। সেখানেই পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় (State Honours) সম্পন্ন হবে শেষকৃত্য।

বুধবার সকালে ঘটে যাওয়া লিয়ারজেট-৪৫ (Learjet-45) বিমান দুর্ঘটনায় (Plane Crash) অজিত পাওয়ার-সহ মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়। উদ্ধার করা হয়েছে বিমানের ব্ল্যাক বক্স (Black Box)। তদন্ত (Investigation) শুরু হলেও এখনও স্পষ্ট কোনও কারণ সামনে আসেনি।

শেষ বিদায়ে উপস্থিত ছিলেন অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার, দুই পুত্র পার্থ ও জয়। কফিনের সামনে দাঁড়িয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি এনসিপি প্রধান শারদ পাওয়ার। উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিয়া সুলে, ছগন ভুজবল, রাজ ঠাকরে, অমিত ঠাকরে সহ রাজ্যের বহু শীর্ষ নেতা।

Advertisement
ads

ভিড় নিয়ন্ত্রণে গোটা বারামতীতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী (Police Force)। সিসিটিভি (CCTV) ও ড্রোন (Drone Surveillance) মারফত নজরদারি চলছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, অজিত পাওয়ারের আকস্মিক প্রয়াণ শুধু একটি দলের নয়, গোটা মহারাষ্ট্রের রাজনীতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।