ভাইরাল খবর
‘শান্তিপুরে এসেছি শুনে অভিষেকের মা দুটো শাড়ি চেয়েছে’! শান্তিপুরের সভামঞ্চে ব্যক্তিগত মেজাজে ধরা দিলেন তৃণমূল নেত্রী
ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলার নির্বাচনী মরশুমে (Election Season) প্রচার যখন তুঙ্গে, তখন শান্তিপুরের জনসভা থেকে এক অন্য মেজাজে ধরা দিলেন তৃণমূল নেত্রী (TMC Leader) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার শান্তিপুর স্টেডিয়ামে নির্বাচনী সভায় নিজের পরনের শাড়িটি দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “এটি শান্তিপুরের এবং আমার নিজের ডিজাইন (Design) করা।” ১৪০৯ সাল থেকে চলে আসা শান্তিপুরের ঐতিহ্যবাহী (Traditional) তাঁতশিল্পের প্রশংসা করেই তিনি ভাষণ শুরু করেন।
এদিন মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শান্তিপুরে আসার খবর শুনে ভাইপো অভিষেকের মা তাঁর কাছে নববর্ষের উপহার হিসেবে দুটি শাড়ি চেয়েছেন। হাসি মুখে তিনি বলেন, বাড়ির বউ সোনা-দানা নয়, কেবল শাড়িই তো প্রত্যাশা (Expect) করে। শান্তিপুরের এই বয়নশিল্প (Weaving Industry) বাংলার অর্থনীতির চাবিকাঠি হলেও বর্তমানে পরিসংখ্যান (Statistics) কিছুটা উদ্বেগজনক। প্রায় ৮৫ শতাংশ কাজ এখন যন্ত্রচালিত তাঁতের (Power-loom) দখলে চলে যাওয়ায় হস্তচালিত তাঁতের কারিগররা রোজগারের টানে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী (Migrant) শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, রাজনৈতিক ময়দানে লড়াই থাকলেও শান্তিপুরের তাঁতপল্লিতে অদ্ভুত এক সহাবস্থান (Co-existence) দেখা যাচ্ছে। সেখানে ব্লকপ্রিন্টের (Block-print) কাজে একপাশে যেমন গেরুয়া পদ্মফুল ফুটে উঠছে, তেমনি অন্য পাশে ছাপা হচ্ছে ‘স্বাস্থ্যসাথী’, ‘সবুজসাথী’ বা ‘কন্যাশ্রী’-র মতো সরকারি প্রকল্পের (Government Schemes) নাম ও জোড়াফুলের নকশা। রাজনৈতিক মতপার্থক্য ছাপিয়ে শিল্পীদের কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ (Challenge) হলো বাজার ধরে রাখা।
নিজস্ব ডায়েট এবং ১৯৯০ সালের হামলার (Attack) স্মৃতিচারণ করে মমতা জানান, টানা ১৫ দিন বাইরে থাকতে হলেও তিনি হোটেলের খাবার খান না। মুড়ি-চিঁড়ে খেয়েই কাটে দিন। পাশাপাশি, পূর্বস্থলীর সভা থেকে তিনি অভিযোগ (Allegation) তোলেন যে, বিজেপি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (Artificial Intelligence) ব্যবহার করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করছে। এদিন তৃণমূল প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী সহ অন্যান্য প্রার্থীদের সমর্থনে জোরালো সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী।


