ভাইরাল খবর
গোমাংস বিতর্কে মুখ খুললেন সায়ক, ‘‘আমি বিজেপির দালাল নই, আমি দাঙ্গা চাই না’
ডিজিটাল ডেস্কঃ পার্ক স্ট্রিটের (Park Street) এক রেস্তরাঁয় (Restaurant) বন্ধুদের সঙ্গে নৈশভোজ (Dinner) করতে গিয়ে অনভিপ্রেত অভিজ্ঞতার মুখে পড়েন অভিনেতা ও সেলেব ইনফ্লুয়েন্সার (Celeb Influencer) সায়ক চক্রবর্তী। অভিযোগ, পাঁঠার মাংস (Mutton) অর্ডার করা সত্ত্বেও তাঁদের গরুর মাংসের (Beef) স্টেক পরিবেশন করা হয়। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই পার্ক স্ট্রিট থানায় FIR দায়ের করেছেন সায়ক।
তবে ফেসবুক লাইভে (Facebook Live) পুরো ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আনার পর থেকেই পালটা কটাক্ষের মুখে পড়েছেন তিনি। নেটভুবনের (Social Media) একাংশের প্রশ্ন—কেন প্রকাশ্যে বেয়াড়ার (Waiter) ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অভিনেতা? কেউ কেউ আবার অভিযোগ তুলেছেন, সায়ক নাকি সাম্প্রদায়িক বিভেদ (Communal Divide) উসকে দিচ্ছেন, এমনকি তাঁকে ‘বিজেপির দালাল’ বলেও কটাক্ষ করা হয়েছে।
এই প্রেক্ষিতেই শনিবার সাতসকালে নতুন লাইভে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন সায়ক। তাঁর সাফ কথা, “আমি কোনও হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা (Riot) লাগাতে চাই না। আমার বহু মুসলিম বন্ধু রয়েছে। আমি ইদের (Eid) সময় ওঁদের বাড়িতে গিয়েছি। আমার কনটেন্টেও সবসময় সম্প্রীতির (Harmony) বার্তা থাকে।”
তিনি আরও বলেন, “হঠাৎ করেই আমাকে ‘বিজেপির দালাল’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আগে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে গিয়েছি বলে ‘চটিচাটা’ বলা হয়েছে। কিন্তু রাজনীতির (Politics) সঙ্গে আমার কোনও যোগ নেই। আমি যেটা খাই না, সেটা অজান্তে খাওয়ানো হলে তার প্রতিবাদ করাটাই স্বাভাবিক।”
শুক্রবার রাতে কী ঘটেছিল, তাও ব্যাখ্যা করেন সায়ক। তাঁর দাবি, “আমরা পুরো প্লেট শেষ করিনি। শুধু চেখে দেখছিলাম। এর মধ্যেই বেয়াড়া আরেকটি মাটন স্টেক টেবিলে রাখেন। তখনই সন্দেহ হয়। প্রশ্ন করতেই তিনি বলেন, আমরা নাকি একটি মাটন ও একটি বিফ স্টেক অর্ডার করেছি। তখনই আমি প্রতিবাদ করি। অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ানোয় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম।”
পাশাপাশি বেয়াড়ার প্রতি সহানুভূতি (Sympathy) জানিয়ে সায়ক বলেন, “উনি যদি নিজেকে হিন্দু বলেও দাবি করতেন, আমিও একই প্রশ্ন করতাম। রেস্তরাঁয় কাজের চাপ থাকে, সেটা বুঝি। কিন্তু প্রতিবাদ না করলে ভবিষ্যতে অন্যরাও এমন পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন।
