আত্মহত্যা
NRC আতঙ্কে আত্মহত্যা? প্রদীপ করের মৃত্যুতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদক্ষেপে চাঞ্চল্য
ডিজিটাল ডেস্কঃ আগরপাড়ায় (Agarpara) বছর ৫৭-র প্রৌঢ় প্রদীপ করের (Pradip Kar) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র আলোড়ন ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে (State Politics)। পুলিশের দাবি, মৃতের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া এক সুইসাইড নোটে (Suicide Note) লেখা রয়েছে— “আমার মৃত্যুর জন্য NRC দায়ী।” মাত্র কয়েকটি শব্দেই তোলপাড় গোটা বাংলা।
ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকেই প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছেন রাজ্যের শাসকদলের শীর্ষ নেতারা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি লেখেন, “আমি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, এই নির্মম খেলাটি (Cruel Game) অবিলম্বে বন্ধ হোক। বাংলা কখনও এনআরসি (NRC) অনুমোদন করবে না। আমরা কাউকে আমাদের মানুষের মর্যাদা (Dignity) কেড়ে নিতে দেব না।”
এদিকে, বুধবার অর্থাৎ আজ, দুপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) নিজে আগরপাড়ার প্রদীপ করের বাড়িতে যাচ্ছেন। সেখানে তিনি মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানাবেন বলে দলীয় সূত্রে খবর।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার প্রদীপ করের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় তাঁর ঘর থেকে। যখন রাজ্যে SIR (State Identity Register) সংক্রান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, সেই প্রেক্ষিতে এই মৃত্যুকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। পরিবারের দাবি, NRC-র আতঙ্কে আত্মঘাতী (Suicide) হয়েছেন প্রদীপ কর।
বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে (Press Conference) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “প্রদীপ কর মারা গেলেন, তার বদলা রাজনৈতিকভাবে বাংলার মানুষ দেবে। এই মৃত্যুর জন্য দায়ী অমিত শাহ (Amit Shah) ও জ্ঞানেশ কুমার (JyAnesh Kumar)। তাঁদের নামে FIR হওয়া উচিত।”
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য-রাজনীতি নতুন মোড় নিতে চলেছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


