স্বাস্থ্য
একে তো সিন্ধু চুক্তি স্থগিত! তারওপর বিমান বন্দরে আগুন? নাজেহাল অবস্থা পাকিস্থানের
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারতের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আবহেই ভয়াবহ দুর্ঘটনা পাকিস্তানে। শনিবার লাহোরের আলামা ইকবাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডে কার্যত ভেঙে পড়ল বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কাজকর্ম। পাক সেনার একটি সামরিক বিমানের টায়ারে আচমকাই আগুন লেগে যায় অবতরণের সময়, মুহূর্তের মধ্যে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে রানওয়ে।
দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে বিমানবন্দরের একাংশে। দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ছুটে এলেও আগুন আয়ত্তে আনতে বেশ সময় লেগে যায়। ঘটনায় গোটা বিমানবন্দর কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায়। সমস্ত উড়ান বাতিল করা হয়। যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। যারা বিমানবন্দরের ভিতরে ছিলেন, তাঁদেরও নিরাপত্তার কারণে বাইরে বের করে আনা হয়। পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ স্বীকার করতে বাধ্য হয় যে, রানওয়ে আপাতত অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখতে হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ পহেলগাঁও হামলার প্রতিক্রিয়ায় চিকিৎসায় ধর্মীয় বিভাজন? কলকাতায় তীব্র বিতর্ক
পাকিস্তানের তরফে দাবি করা হলেও যে কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি, তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুনে বিমানের পাশাপাশি বেশ কিছু পরিকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুদ্ধবিমান, রাডার ব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের ক্ষতির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পহেলগাঁও হামলায় পাকিস্তানি মদত প্রমাণ হয়ে যাওয়ার পরে ভারত যখন কূটনৈতিক স্তরে চাপ বাড়াচ্ছে, সেই আবহেই পাকিস্তানের এই দুর্ঘটনা তাদের “দুর্বল নিরাপত্তা পরিকাঠামো” এবং “আন্তর্জাতিক মানের সম্পূর্ণ অভাব” আরও একবার সামনে এনে দিল।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই পাক প্রশাসন আকাশসীমা থেকে ভারতীয় বিমানগুলির চলাচল নিষিদ্ধ করে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করতে চেয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, নিজেদের সামরিক বিমানই নিরাপদে মাটিতে নামাতে পারছে না পাকিস্তান। বিশ্লেষকদের মতে, এই দুর্ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলের কাছে পাকিস্তানের মর্যাদাকে আরও ধাক্কা দিল।
প্রশ্ন উঠছে, যখন নিজের গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরও নিরাপদ রাখতে পারে না, তখন কি পাকিস্তান সন্ত্রাস দমনে বা আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষায় কোনও ভূমিকাই রাখতে সক্ষম?
