৩৭০ তুলে সন্ত্রাস শেষ? পহেলগাঁও কাণ্ডে মোদীর দাবিকে কটাক্ষ তৃণমূল নেতাদের
Connect with us

হামলা

৩৭০ তুলে সন্ত্রাস শেষ? পহেলগাঁও কাণ্ডে মোদীর দাবিকে কটাক্ষ তৃণমূল নেতাদের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে রক্তাক্ত জঙ্গি আক্রমণের ঘটনায় শোকাহত গোটা দেশ। প্রাণ হারিয়েছেন ২৬ জন নিরীহ পর্যটক, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের তিনজনও। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা উঠে আসছে, আর সেইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের সন্ত্রাস মোকাবিলার নীতির উপরে উঠছে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন।

আরও পড়ুনঃ ভারত ‘সন্ত্রাসের’ কাছে মাথা নত করবে না! গর্জে উঠলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজনৈতিক মহলে ক্ষোভ যেন আরও তীব্র। পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে একাধিক নেতা সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যর্থতাকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হামলায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক জানিয়ে বলেছেন, “এই ঘটনায় শুধু কাশ্মীর নয়, কেঁপে উঠেছে পুরো ভারত।”

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন এক্সে লেখেন, “৩৭০ ধারা তুলে দিয়ে শান্তির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। নোটবন্দির সময় বলা হয়েছিল, সন্ত্রাসবাদে আর্থিক জোগান বন্ধ হবে। অথচ বাস্তব বলছে, আজও নিরীহ মানুষের রক্তে ভিজছে উপত্যকা। এই প্রতিশ্রুতি কি শুধুই নির্বাচনী স্লোগান ছিল?”

Advertisement
ads

তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পুরনো ভাষণের একটি অংশ তুলে ধরে কটাক্ষ করেছেন, যেখানে মোদী বলেছিলেন ৩৭০ ধারা বিলোপের পরে সন্ত্রাসীদের “কোমর ভেঙে গিয়েছে।” সেই বক্তব্যকে বিঁধে দেবাংশুর প্রতিক্রিয়া, “সত্যিই ওদের কোমর ভেঙে গিয়েছে মোদীজি।”

Advertisement
ads

রাজ্যের অন্যান্য রাজনৈতিক নেতারাও এই হামলার নিন্দায় একজোট। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সন্ত্রাস কখনও মানবতা মানে না। এই ঘটনার দায় এড়াতে পারে না কেউ।” কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীও জানান, “কাশ্মীরের পরিস্থিতি কতটা নাজুক, তা আজকের ঘটনায় স্পষ্ট।”

Advertisement
ads

Advertisement
ads

এই ভয়াবহ হামলার পর এখন কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে তাকিয়ে দেশ। কীভাবে এতবড় নিরাপত্তা ভেদ করে জঙ্গিরা হামলা চালাতে পারল, তা নিয়েই উঠছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। একদিকে জঙ্গি দমন নীতির বাস্তবতা, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা— এই দুইয়ের ফারাক স্পষ্ট হচ্ছে একের পর এক জঙ্গিহানার পর।

Continue Reading
Advertisement