ভাইরাল খবর
নারীর মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ নয়, ভার্জিনিটি টেস্টের দাবিতে ধাক্কা আদালতে
ডিজিটাল ডেস্কঃ কোনও মহিলাকে কুমারীত্ব পরীক্ষার জন্য বাধ্য করা সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী বলে রায় দিল ছত্তিসগড় হাইকোর্ট। আদালত জানায়, এটি মহিলার ব্যক্তিগত মর্যাদা ও জন্মগত অধিকারে হস্তক্ষেপের শামিল।
এক মামলায় এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর কুমারীত্ব পরীক্ষার দাবি জানালে আদালত তা খারিজ করে দেয়। ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ এই দম্পতির মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছে। স্ত্রী দাবি করেন, তার স্বামী পুরুষত্বহীন এবং যৌন সম্পর্ক স্থাপনে অক্ষম। পাল্টা, স্বামী অভিযোগ তোলেন স্ত্রীর বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে এবং তিনি কুমারীত্ব পরীক্ষা চান।
আরও পড়ুনঃ ইতিহাস বই থেকে পড়ুন, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নয়”— রাজ ঠাকরে
২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর রায়গড়ের পারিবারিক আদালত স্বামীর এই আবেদন খারিজ করে। এরপর স্বামী হাইকোর্টে আবেদন করেন। শুনানিতে বিচারপতি অরবিন্দ কুমার ভার্মা স্পষ্ট জানান, কুমারীত্ব পরীক্ষা নারীর মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের সমান এবং এটি করার জন্য কোনও মহিলাকে বাধ্য করা যাবে না।
হাইকোর্ট আরও জানায়, যদি স্বামী নিজেকে পুরুষত্বহীনতার অভিযোগ থেকে মুক্ত করতে চান, তবে তিনি নিজের প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষা করাতে পারেন বা অন্যভাবে প্রমাণ দিতে পারেন। তবে কোনওভাবেই স্ত্রীর কুমারীত্ব পরীক্ষা করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিল আদালত।
