শব্দবাজি নিয়ে প্রতিবাদ করায় গড়িয়ায় মহিলার ওপর হামলা! গেট ভেঙে ঢুকে শ্লীলতাহানি ও হুমকি
Connect with us

ভাইরাল খবর

শব্দবাজি নিয়ে প্রতিবাদ করায় গড়িয়ায় মহিলার ওপর হামলা! গেট ভেঙে ঢুকে শ্লীলতাহানি ও হুমকি

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কালীপুজোর (Kali Puja) রাতে গড়িয়ায় (Garia) তাণ্ডব! শব্দবাজি (Sound Firecracker) ফাটানোর প্রতিবাদ করায় এক মহিলাকে মারধর, শ্লীলতাহানি (Molestation) এমনকি ধর্ষণের হুমকি (Rape Threat) দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে। গড়িয়া ট্রাফিক গার্ডের (Garia Traffic Guard) অদূরে, লক্ষ্মীনারায়ণ কলোনি (Lakshminarayan Colony)-তে বৃহস্পতিবার রাতে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

অভিযোগকারিণী, যিনি বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের শিক্ষক (Teacher of Specially-Abled Children), জানিয়েছেন— ভাইফোঁটার (Bhai Phonta) অনুষ্ঠান শেষে তিনি স্বামী ও ১৪ বছরের ছেলেকে নিয়ে ফ্ল্যাটের (Flat) নিচে অতিথিদের বিদায় জানাতে যান। সেই সময় পাশের পাড়ার ‘দাদারা’ নিরঞ্জন (Niranjan Procession) শোভাযাত্রা নিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ একটি বাজি এসে তাঁর পায়ের কাছে বিকট শব্দে ফেটে যায়। প্রতিবাদ জানাতেই শুরু হয় তাণ্ডব।

অভিযোগ, মহিলাকে রাস্তায় ফেলে মারধর (Beating) করা হয়, মুখে ঘুঁষি (Punch) মেরে ঠোঁট ফাটিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর স্বামী ও ছেলেকে আক্রমণের চেষ্টা হয়। কোনওমতে তাঁরা ফ্ল্যাটের গেটে (Gate) তালা মেরে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলেও, অভিযুক্ত যুবকরা মদ্যপ (Intoxicated) অবস্থায় কোলাপসিবল গেট (Collapsible Gate) ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়ে। সিঁড়িতেই (Staircase) মহিলার শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ।

Advertisement
ads

এরপরও থেমে থাকেনি অত্যাচার। ওই যুবকরা ধর্ষণের হুমকি দেয়, বলেন — “এবার দেখে নেব কীভাবে এলাকায় থাকিস।” ফ্ল্যাটের বাইরে তখন শুরু হয় আরও ভয়ঙ্কর তাণ্ডব — জলের বোতল (Water Bottles), ইট (Bricks), ও শব্দবাজি ছোড়া হয় টানা কয়েক মিনিট ধরে।

অবস্থা বেগতিক দেখে মহিলা ১০০ নম্বরে ফোন করে পুলিশ (Police) ডাকেন। পুলিশ এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। রাতেই পুলিশি নিরাপত্তায় তিনি বাঘাযতীন স্টেট জেনারেল হাসপাতালে (Baghajatin State General Hospital) যান চিকিৎসার জন্য। কিন্তু অভিযোগ, সেখানেও অভিযুক্তরা হাজির হয় এবং পুলিশের সামনেই মেডিক্যাল পরীক্ষা (Medical Examination) বন্ধ করার হুমকি দেয় হাসপাতাল কর্মীদের (Hospital Staff)।

অবশেষে ভয় পেয়ে মহিলা বাঙুর হাসপাতালে (Bangur Hospital) গিয়ে পরীক্ষা করান। বর্তমানে তাঁর মুখে ও চোখে ফোলাভাব, ঠোঁট ফাটা, এবং হাঁটতে পর্যন্ত পারছেন না বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত পুলিশ প্রশাসনের (Police Administration) তরফে কোনো পদক্ষেপ বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি বলে সূত্রের খবর।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement