করোনাকালে ক্রমবর্ধমান বাল্য বিবাহ, চিন্তায় ইউনেস্কো ও সমাজবিজ্ঞানীরা
Connect with us

বিশ্বের খবর

করোনাকালে ক্রমবর্ধমান বাল্য বিবাহ, চিন্তায় ইউনেস্কো ও সমাজবিজ্ঞানীরা

Dipa Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক , ১৪ মার্চ : পরিণতবয়স্ক ও মনস্ক হওয়ার আগেই এক মেয়েকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে স্বামীর বাড়িতে।শুধু ভারতে নয়, গোটা পৃথিবীতে জ্বলন্ত সমস্যা বাল্যবিবাহ। নিজেদের ইচ্ছে অনিচ্ছেকে বিসর্জন দিয়েই পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে শ্বশুরবাড়িতে।

সারা পৃথিবীজুড়েই বেড়েছে বাল্যবিবাহের ঘটনা। করোনা অতিমারির পর এই ঘটনা যেন আরো বেড়ে গিয়েছে। গোটা পৃথিবীর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায়, বিশেষত নেপালে, সমস্যাটা রীতিমতো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে।যদিও বর্তমানে করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে ধীরে ধীরে অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে পরিস্থিতি। কিন্তু এরফলে বাল্যবিবাহের ঘটনা কমে যাবে, এমন আশা করা যায় না। ভারতের ন্যশানাল ক্রাইম ব্যুরোর তথ্য বলছে, ২০২০ সালে সারা দেশে বাল্যবিবাহের সংখ্যা বেড়েছে ৩০ শতাংশ। সারা বিশ্বেই এই সংখ্যাটা মোটামুটি। ইউরোপ বা আমেরিকার ক্ষেত্রে একটু কম হলেও নেপাল ও আফ্রিকার ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহের হারটা অনেকটাই বেশি। বরঞ্চ এক দশকে সারা পৃথিবীতে ১০ মিলিয়ন শিশুকন্যা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই বিবাহ করতে বাধ্য হবে বা তাদের বিয়ে দেওয়া হবে।
এই তথ্য তুলে ধরেছেন ইউনাইটেড নেশনস চাইল্ডস ফান্ডের সমীক্ষকেরা। এক্ষেত্রে মহিলাদের একদিকে যেমন স্বাধীন ও স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে, পাশাপাশি বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে তাদের মধ্যে সচেতনতাবৃদ্ধি করতে হবে। এজন্য সারা পৃথিবীর সকল শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ ও সমাজকর্মীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে ইউনেস্কো।