খেলার খবর
ফোন ধরছেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প! ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর বিদায়ঘণ্টা কি তবে বেজে গেল?
ডিজিটাল ডেস্কঃ বিশ্বকাপের (World Cup) বাণিজ্যিক স্বত্ব (Commercial Rights) আংশিক বিক্রির পরিকল্পনা প্রত্যাহারের পর প্রবল চাপে পড়েছেন ফিফা (FIFA) সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো (Gianni Infantino)। ইউরোপ ও এশিয়ার একাধিক ফুটবল সংস্থার তীব্র বিরোধিতার মুখে শেষ পর্যন্ত প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয় ফিফা। এরপর থেকেই ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব এবং ২০২৭ সালের নির্বাচন ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপ ও অন্যান্য বড় প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি পৃথক প্রতিষ্ঠান (Company) গঠন করে তার প্রায় ২০ শতাংশ অংশীদারিত্ব (Stake) বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল। লক্ষ্য ছিল প্রায় ৪.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ। তবে উয়েফা (UEFA) এবং এশিয়ার ফুটবল কর্তারা অভিযোগ করেন, এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে যথাযথ আলোচনা করা হয়নি।
নিউ ইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পরিকল্পনা বাতিল হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেন ইনফান্তিনো। তবে তিনি কোনও সাড়া পাননি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সমালোচনার জেরে নিজেকে বেশ ‘বিচ্ছিন্ন’ (Isolated) মনে করছেন ফিফা সভাপতি। যদিও এ বিষয়ে ফিফা কিংবা হোয়াইট হাউসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।
আগামী ১৮ মার্চ মরক্কোয় ২০২৭-২০৩১ মেয়াদের ফিফা সভাপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এই পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে উঠে আসছে কনকাকাফ (CONCACAF) প্রধান ভিক্টর মনটাগলিয়ানি, উয়েফা সভাপতি আলেজান্ডার সেফেরিন, এএফসি (AFC) প্রধান শেখ সলমন বিন ইব্রাহিম আল খলিফা, কাতারের ক্রীড়া প্রশাসক নাসের আল-খেলাইফি এবং নরওয়ের ফুটবল কর্তা লিস ক্লাভেনেসের নাম।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক পরিকল্পনা ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক ফিফার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেছে। তবে ইনফান্তিনোর ভবিষ্যৎ এবং পরবর্তী সভাপতি নির্বাচনের চূড়ান্ত ছবি স্পষ্ট হবে ভোটের ফল প্রকাশের পরই।
