রায়গঞ্জ
শ্যুটআউট কান্ড ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা গ্রামে
নিউজ ডেস্ক , ৮ ডিসেম্বর : শ্যুটআউট কান্ডের পর পেরিয়ে গিয়েছে ৫ দিন এখনও উত্তেজনা অব্যাহত রায়গঞ্জ থানার ভুলকাই গ্রামে। শুক্রবার সকাল থেকে ফের দফায় দফায় উত্তেজনা তৈরী হয় গ্রামে পুলিশ ও গ্রামবাসীদের মধ্যে তৈরী হয় বিরোধ।
ধানের ধলতা ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিজেপির
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্যুটআউট কান্ডে বাকী অভযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবীতে এদিন সকালে আচমকাই গ্রামবাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে খাস জমিতে গড়ে তোলা অভিযুক্ত সুলেমান হকের দোকান ঘরে ভাংচুর চালায়। ভেঙে গুঁরিয়ে দেওয়া হয় দোকান ঘর। এই ঘটনার খবর পাওয়ার পরই অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী সেখানে হানা দেয়। পুলিশ আসতেই উত্তেজিত গ্রামবাসীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পরে। কয়েকজন মৃত লালুয়া শেখের বাড়িতে ঢুকে পরে। পুলিশ সেসময় মৃতের বাড়িতে ঢুকে ভাংচুর চালায় বলে অভিযোগ।
‘মিগজাউম’-এর প্রভাবে শহরে বৃষ্টির ভ্রুকুটি
লালুয়া শেখের স্ত্রী শাহানাজ খাতুনকে মারতে উদ্যত হয় পুলিশ বলে অভিযোগ। এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা। তারা একদিকে যেমন সমস্ত অভিযুক্তদের শাস্তি চান তেমনই গ্রামে শান্তি ফেরানোর দাবী জানিয়েছেন।মৃত লালুয়া শেখের স্ত্রী শাহানাজ খাতুন জানান, সকালে গ্রামে ঝামেলা হয়। একটু পরে পুলিশ আচমকাই বাড়িতে ঢুকে ভাংচুর চালায়। তাকেও মারার জন্য লাঠি তোলে। এরপর আতঙ্কে ঘরে ঢুকে যান শাহানাজ খাতুন। তিনি জানান, যাদের উপরে নিরাপত্তার দায়িত্ব তারাই তান্ডব চালিয়ে গেল। এতে পুলিশের উপরে ভরসা কতটা থাকবে তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।
বাংলা মোদের গর্ব নিয়ে তৎপরতা, প্রস্তুতি বৈঠক মহকুমা শাসকের
পঞ্চায়েত সদস্য জইনুল হক জানান, এই শ্যুটআউট কান্ডের মুল অভিযুক্ত সুলেমান হকের স্ত্রী হুমকি দিয়েছে। তারপরই উত্তেজনা ছড়ায়। গ্রামবাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে দোকানে ভাংচুর করে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সুলেমান হকের মদতেই লালুয়াকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন পঞ্চায়েত সদস্য। সমস্ত অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন তিনি।প্রসঙ্গতঃ গত ৩রা ডিসেম্বর রাতে রায়গঞ্জ ব্লকের বাহিন পঞ্চায়েতের ভুলকাই গ্রামে ঘটে শ্যুটআউটের ঘটনা। মৃত্যু হয় লালুয়া শেখ নামের এক বয়স্ক ব্যক্তির। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে মূল অভিযুক্ত সুলেমান হককে। এখনও অধরা বাকী অভিযুক্তরা। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
