‘অকাল প্রয়াণে প্রশ্ন রয়েই গেল’, ফের ময়নাতদন্ত জুবিনের মরদেহে
Connect with us

দুর্ঘটনা

‘অকাল প্রয়াণে প্রশ্ন রয়েই গেল’, ফের ময়নাতদন্ত জুবিনের মরদেহে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ অসমের (Assam) কণ্ঠস্বর, গায়ক জুবিন গর্গের (Zubeen Garg) অকাল প্রয়াণ যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না রাজ্যবাসী। মৃত্যুর পর তিন দিন কেটে গেলেও তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন। সিঙ্গাপুরে (Singapore) সমুদ্রে সাঁতার কাটতে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনায় উঠছে রহস্যের আভাস।

এই পরিস্থিতিতে অসম সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জুবিনের মরদেহে ফের ময়নাতদন্ত (Second Autopsy) করানো হবে। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) জানান, পরিবারের সম্মতি নিয়ে মঙ্গলবার সকালে গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ ও এইমস-গুয়াহাটি (AIIMS Guwahati)-র চিকিৎসকদের উপস্থিতিতে নতুন করে ময়নাতদন্ত হবে।

জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে দিল্লিতে (Delhi) পৌঁছায় জুবিনের মরদেহ। সেখান থেকে বিশেষ বিমানে নিয়ে যাওয়া হয় গুয়াহাটিতে (Guwahati)। রবিবার গোটা শহর নেমে আসে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। হাজার হাজার ভক্তের উপস্থিতিতে শহরের রাস্তাঘাট কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়ে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, জুবিন গর্গের শেষকৃত্য মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কামারকুচি (Kamarcutchi) গ্রামে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় (State Honour) সম্পন্ন হবে। উপস্থিত থাকবেন প্রায় ৮৫ জন আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

Advertisement
ads ads

এদিকে, জোরহাটে (Jorhat) শেষকৃত্যের দাবিতে জাতীয় সড়ক ৩৭ (NH-37) অবরোধ করেন ক্ষুব্ধ অনুরাগীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ট্র্যাফিক অ্যাডভাইজরি জারি করে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জুবিনের বৃদ্ধ পিতার (৮৫ বছর) শারীরিক অবস্থার কথা ভেবে শেষকৃত্য গুয়াহাটির কাছেই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবার। সেই জায়গাতেই গড়তে চলেছে জুবিনের স্মৃতিসৌধ (Memorial)

এদিকে, নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যাল (NEIF) এবং গায়ক জুবিনের মৃত্যুকে ঘিরে একাধিক এফআইআর (FIR) দায়ের হয়েছে। উৎসবের আয়োজক শ্যাম কানু মহন্ত, ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা, ব্যান্ডের এক সদস্য এবং একটি টিভি চ্যানেলের মালিক-এর নাম উঠে এসেছে মামলায়। তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে সিআইডির (CID) হাতে।

এছাড়াও নারী মুক্তি বাহিনী (Nari Mukti Bahini) নামে একটি সংগঠন নতুন অভিযোগ দায়ের করেছে। সবমিলিয়ে জুবিন গর্গের মৃত্যু যেন ধীরে ধীরে শুধুই একটি ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়— হয়ে উঠছে এক বৃহৎ সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যু।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads