শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সাংবিধানিক অধিকার! লাঠিচার্জ নিয়ে কড়া মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের
Connect with us

দেশের খবর

শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সাংবিধানিক অধিকার! লাঠিচার্জ নিয়ে কড়া মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ শান্তিপূর্ণভাবে (Peaceful) প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ (Protest) করা দেশের প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক (Constitutional) অধিকার। শুধুমাত্র আন্দোলন হচ্ছে এই কারণ দেখিয়ে পুলিশ (Police) লাঠিচার্জ (Lathi Charge) করতে পারে না। সোমবার এক গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানিতে এমনই তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

গত ২০ জুলাই দিল্লিতে ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ছাত্র-যুবদের বিক্ষোভে পুলিশের বলপ্রয়োগ, কাঁদানে গ্যাস (Tear Gas) ব্যবহার এবং লাঠিচার্জের অভিযোগে একাধিক রিট পিটিশন (Writ Petition) দায়ের হয়। সেই মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানায়, সংবিধান শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত প্রতিবাদের অধিকার নিশ্চিত করেছে। তাই কেবলমাত্র বিক্ষোভ হচ্ছে বলেই বলপ্রয়োগকে সমর্থন করা যায় না।

আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ এবং ডিউটিতে থাকা পুলিশকর্মীদের বডি-ক্যামেরার (Body Camera) ভিডিও সংরক্ষণ করা হোক। পাশাপাশি আহত আন্দোলনকারীদের জন্য ক্ষতিপূরণ (Compensation) এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানানো হয়। আদালত এই প্রমাণ সংরক্ষণের গুরুত্বের ওপর জোর দেয় এবং পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে।

শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট আরও প্রশ্ন তোলে, বিক্ষোভে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আহত পুলিশকর্মীদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা সরঞ্জাম (Protective Gear) কেন দেওয়া হয়নি। আদালতের মতে, পুলিশি ব্যবস্থা এবং বলপ্রয়োগ—উভয় ক্ষেত্রেই একটি নির্দিষ্ট প্রোটোকল (Protocol) থাকা প্রয়োজন।

Advertisement
ads ads

এদিকে, এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলেও বিতর্ক তীব্র হয়েছে। বিরোধী নেতারা পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, কেন্দ্র সরকার পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের লক্ষ্যে ‘পাবলিক একজামিনেশন সংশোধনী বিল’ (Public Examination Amendment Bill) সংসদে পেশ করেছে। তবে বিরোধীদের অভিযোগ, ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় জবাবদিহি এড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণ শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সাংবিধানিক অধিকার এবং পুলিশি ক্ষমতার সীমা নিয়ে ভবিষ্যতের বিচারিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে উঠতে পারে।

Continue Reading
Advertisement ads