দেশের খবর
‘ভারতীয় সেনাদের বীরত্ব দেশের গর্ব’! শহীদদের শ্রদ্ধায় নত শুভেন্দু-মোদী-শাহ-রাজনাথ
ডিজিটাল ডেস্কঃ আজ ২৬ জুলাই, দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas)। ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ঐতিহাসিক জয় এবং দেশের জন্য আত্মবলিদান করা বীর জওয়ানদের স্মরণে প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়। এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং শহিদ সেনাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, “অপারেশন বিজয়”-এ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অংশগ্রহণকারী বীর ভারতীয় সেনাবাহিনীর সকল সদস্যদের আমার প্রণাম জানাই। শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।’
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক্স (X)-এ লেখেন, ভারতের নিরাপত্তা রক্ষায় অসাধারণ সাহস, কর্তব্যনিষ্ঠা ও আত্মত্যাগের জন্য দেশ চিরকাল সেনাবাহিনীর কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে। তিনি বলেন, কঠিনতম পরিস্থিতিতেও ভারতীয় সেনাদের অদম্য সাহস দেশের গর্বের উৎস এবং তাঁদের দেশপ্রেম আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও শহিদ জওয়ানদের স্মরণ করে বলেন, তাঁদের অতুলনীয় বীরত্ব, অটল সংকল্প এবং দেশপ্রেম ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর (Armed Forces) গৌরবময় ঐতিহ্যের প্রতিফলন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, অপারেশন বিজয় (Operation Vijay) ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাহস ও বীরত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। হিমালয়ের দুর্গম পাহাড় এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও সেনারা শত্রুপক্ষকে পরাস্ত করে দেশের অখণ্ডতা রক্ষা করেছিলেন।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং শহিদ সেনাদের আত্মত্যাগকে কুর্নিশ জানিয়ে বলেন, দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করা বীর জওয়ানদের প্রতি ভারত চিরকাল ঋণী থাকবে। তিনি জানান, কার্গিল বিজয় দিবসের প্রাক্কালে দ্রাসে (Drass) অনুষ্ঠিত ‘শৌর্য সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। পাশাপাশি তিনি আশ্বস্ত করেন, দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Defence System) আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করতে কেন্দ্র সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যে কোনও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারতীয় সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালের ১৩ মে থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত প্রায় আড়াই মাস ধরে চলা কার্গিল যুদ্ধে ৫২৭ জন ভারতীয় সেনা শহিদ হন এবং ১,৩৬৩ জন আহত হন। তাঁদের আত্মত্যাগ আজও দেশের ইতিহাসে গৌরবের অধ্যায় হয়ে রয়েছে।
