বিশ্বের খবর
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সপ্তাহব্যাপী সংঘর্ষ অবসানে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত দুই দেশ
ডিজিটাল ডেস্কঃ ডুরান্ড লাইন (Durand Line)–এ সপ্তাহব্যাপী চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অবশেষে ইতি টানা গেল। কাতার (Qatar) ও তুরস্কের (Turkey) যৌথ মধ্যস্থতায় আফগানিস্তান (Afghanistan) এবং পাকিস্তান (Pakistan) যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। রোববার সকালে কাতারের বিদেশমন্ত্রক (Foreign Ministry) এক বিবৃতিতে জানায়, দুই দেশই সংঘর্ষ থেকে সরে এসে সীমান্তে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে সম্মত হয়েছে।
শনিবার দোহা (Doha)-তে কাতারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় গুরুত্বপূর্ণ শান্তি বৈঠক (Peace Talks)। সেখানে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রী (Foreign Ministers) এবং প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। রাত পর্যন্ত চলা এই বৈঠকে তালিবান সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোল্লা মহম্মদ ইয়াকুব (Mullah Mohammad Yaqoob) আফগানিস্তানের পক্ষ থেকে ও পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মহম্মদ আসিফ (Khawaja Muhammad Asif) পাকিস্তানের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন।
সংঘর্ষের আগে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত ছিল যে, কাবুলে (Kabul) পাকিস্তানের চালানো এয়ার স্ট্রাইকের (Airstrike) পর সীমান্ত এলাকায় দু’দেশের মধ্যে তীব্র গোলাগুলি হয়। এতে হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের এক হামলায় তিনজন আফগান ক্রিকেটার-সহ আটজন নিহত হন। এর জেরেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়লেও তালিবান অভিযোগ করে পাকিস্তান সেই চুক্তি ভেঙেছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এখন থেকে দুই দেশ ভবিষ্যতে স্থায়ী শান্তির (Permanent Peace) লক্ষ্যে আরও আলোচনা চালিয়ে যাবে এবং সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পদক্ষেপ নেবে।
তবে এই শান্তির মাঝে কূটনৈতিক টানাপোড়েন থেমে থাকেনি। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ অভিযোগ করেন, “আফগান সরকার ভারতীয় প্রভাবের (Indian Influence) অধীনে কাজ করছে এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। আজ কাবুল ভারতের কোলে গিয়ে বসেছে। অথচ একটা সময় তারা আমাদের সুরক্ষায় ছিল।”


