ভাইরাল খবর
দিল্লিতে পৌঁছেই অবশেষে মুখ খুললেন সায়নী! বাড়ালেন রাজনৈতিক সাসপেন্স
ডিজিটাল ডেস্কঃ একদা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গী এবং তাঁরই অবয়বে সাদা শাড়ি ও হাওয়াই চপ্পল পরিহিত যাদবপুরের সাংসদ (MP) সায়নী ঘোষের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা এবার চূড়ান্ত রূপ নিল। লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election) ফল প্রকাশের পর দলের বিপর্যয়ের দায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আই-প্যাকের (I-PAC) ওপর চাপিয়ে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, তার আঁচ গিয়ে পড়েছে দিল্লিতে। এতদিন নীরব থাকার পর অবশেষে রবিবার রাজধানীতে পৌঁছেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক ও রহস্যময় মন্তব্য করলেন সায়নী।
কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে গঠিত ২০ জন বিক্ষুব্ধ সাংসদের যে প্রথম চিঠিটি প্রকাশ্যে এসেছিল, তার ১০ নম্বরে জ্বলজ্বল করছিল সায়নীর স্বাক্ষর (Signature)। এর পরেই তাঁকে তৃণমূলের যুব সভানেত্রীর পদ থেকে অপসারিত করা হয়। সম্প্রতি কলকাতা বিমানবন্দরে মুখ লুকিয়ে যাতায়াত করলেও, আজ দিল্লিতে সায়নীকে দেখা গেল সম্পূর্ণ ভিন্ন লুকে (New Look)—ছোট চুল আর কুর্তি পরিহিত। এনডিএ-তে (NDA) যোগ দেওয়া বা দলবদলের প্রশ্নে এক সাংবাদিক তাঁর পুরোনো ‘চাড্ডা’ মন্তব্য মনে করিয়ে দিলে প্রশ্ন এড়িয়ে সায়নী বলেন, “এখন কিছু বলব না, সময় আসলে ধীরে ধীরে সব জানতে পারবেন। আমি কোনো সাংবাদিককে জবাব দেব না, যা জবাব দেওয়ার আমার লোকসভা কেন্দ্রের ভোটারদের দেব।”
সূত্রের খবর, বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নতুন তৃণমূল ব্লক’-এর মতোই সোমবার লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন জানাতে পারেন এই ২২ জন বিদ্রোহী সাংসদ। আজ রাতেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দিল্লির বাসভবনে রণকৌশল নির্ধারণের জন্য এক নৈশভোজ ও ঘরোয়া বৈঠকের (Strategy Meeting) আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। সায়নীর এই রহস্যময় ও কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করে দিল যে, লোকসভায় তৃণমূলের ফাটল এখন আর জোড়া লাগার অবস্থায় নেই।
