যুদ্ধবিরতি শিকেয়! প্যালেস্টাইন শরণার্থী শিবিরে ইজরায়েলি ড্রোন হামলা নিহত ১২
Connect with us

হামলা

যুদ্ধবিরতি শিকেয়! প্যালেস্টাইন শরণার্থী শিবিরে ইজরায়েলি ড্রোন হামলা নিহত ১২

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি (Ceasefire Agreement) কার্যত উপেক্ষা করেই লেবাননের পূর্ব ও দক্ষিণ অংশে ভয়াবহ বিমান হামলা চালাল ইজরায়েল। এই হামলায় (Military Operation) অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহতের সংখ্যা ৩০ ছাড়িয়ে গেছে। লেবাননের সরকারি সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত উত্তপ্ত (Tense Situation)।

লেবাননের বেকা উপত্যকায় (Beqaa Valley) চালানো প্রথম দফার বিমান হামলায় ৬ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। এরপর রিয়াক শহরের একটি বহুতল ভবনে আঘাত হানে ইজরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র। সেখানে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১০ ছাড়িয়ে যায়। উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের (Rubble) নিচে আরও অনেকে আটকে থাকতে পারেন, ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইজরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (Israel Defense Forces) দাবি করেছে, বালবেক অঞ্চলে হিজবুল্লার কমান্ড সেন্টার (Command Center) লক্ষ্য করে এই নিখুঁত আক্রমণ চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ (Hezbollah) সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে তাদের এক সামরিক নেতাও রয়েছেন।

একই দিনে দক্ষিণ লেবাননের সাইদা শহরের বৃহত্তম প্যালেস্টাইন শরণার্থী শিবির (Refugee Camp) ‘আইন আল-হিলওয়ে’-তেও ড্রোন হামলা (Drone Strike) চালায় ইজরায়েল। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্যমতে, সেখানে অন্তত ২ জন নিহত হয়েছেন। ইজরায়েলের দাবি, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে তারা হামাসের একটি গোপন আস্তানা ধ্বংস করেছে। তবে হামাস (Hamas) এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে একে সাধারণ মানুষের ওপর বর্বরোচিত হামলা বলে নিন্দা জানিয়েছে।

Advertisement
ads

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, যে ভবনটিতে হামলা হয়েছে সেখানে আগে নিরাপত্তা বাহিনীর দপ্তর ছিল, তবে বর্তমানে সেটি একটি জনহিতকর রান্নাঘর (Community Kitchen) হিসেবে ব্যবহৃত হত। এই হামলার ফলে ওই অঞ্চলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক (Panic) ছড়িয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, গত নভেম্বরের ভয়াবহ অভিযানেও ১১টি শিশুসহ ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক মহলে প্রবল সমালোচনার (International Criticism) জন্ম দিয়েছিল।

Continue Reading
Advertisement