বিশ্বের খবর
নেপালে আগামী মার্চে নির্বাচন? চার মাসের জন্য প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি
ডিজিটাল ডেস্কঃ কয়েক ঘণ্টার তীব্র বিক্ষোভ আর সহিংসতার (violence) পর নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অর্থাৎ, কেপি শর্মা ওলির (K.P. Sharma Oli) সরকারের পতন হয়েছে। মূলত তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে হওয়া এই আন্দোলনের (movement) মূল কারণ ছিল ফেসবুক (Facebook) এবং গুগল (Google)-এর উপর নিষেধাজ্ঞা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে দেশজুড়ে রাস্তায় নেমে আসে হাজারো মানুষ। প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ৩০ জন।
প্রধানমন্ত্রী ওলির পদত্যাগের পরও সহিংসতা থামেনি। নেপালের সংসদ ভবন (Parliament), প্রধানমন্ত্রীর অফিস (Prime Minister’s Office), সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) এবং পর্যটনকেন্দ্রিক বড় বড় হোটেলেও হামলা হয়।
এমন কঠিন সময়েই নেপালের সেনাবাহিনী (Army) দায়িত্ব নেয় দেশের শৃঙ্খলা রক্ষার। আর সেনাবাহিনীর সহায়তায় শপথ নেন দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী (First Female Prime Minister) সুশীলা কারকি। তিনি আগে নেপালের সুপ্রিম কোর্টের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি (Chief Justice) ছিলেন। রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পাউডেল (Ram Chandra Paudel) তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
তবে এখনো তাঁর মন্ত্রিসভা (Cabinet) গঠিত হয়নি। তিনি থাকবেন সাময়িকভাবে, প্রায় চার মাসের জন্য। আগামী বছরের ৫ মার্চ নেপালে সংসদীয় নির্বাচন (Parliamentary Election) ঘোষণা করা হয়েছে। সময়সীমা অনুযায়ী সরকারকে এ সময়ের মধ্যেই দেশকে শান্ত ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে – এটাই নতুন প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
Nepal appoints Sushila Karki as first female executive head
House dissolved. She has a six-month mandate to hold elections, by March 4, 2026.
Anil Giri
Kathmandu, Sept 13
Three days after hectic negotiations, former chief justice Sushila Karki was appointed the country’s 42th… pic.twitter.com/jWHpB6jMPc
— The Kathmandu Post (@kathmandupost) September 13, 2025
তবে বিক্ষোভকারীদের (Protesters) একটি বড় অংশ এখনো শান্ত হয়নি। তাঁরা শুধু সরকারের পরিবর্তন নয়, গোটা সিস্টেমের (System) সংস্কার চায়। তাদের মতে, শুধু ওলি নন, বরং পুরো প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যবস্থাই দুর্নীতিতে (corruption) নিমজ্জিত।
আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জেন জি (Gen Z) আন্দোলনের তরুণরা। এর মাঝেই কাঠমান্ডুর (Kathmandu) রাস্তায় সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে।
শহরের বহু জায়গায় এখনো কার্ফু (Curfew) চলছে। দোকানপাট, বাজার পুরোপুরি খোলেনি এবং গণপরিবহণ (public transport) স্বাভাবিক হয়নি। প্রশাসন ধীরে ধীরে সব কিছু স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে।


