দুর্গাপুর কাণ্ডে উলটপুরাণ! গণধর্ষণের আগে সহপাঠীই ধর্ষণের চেষ্টা করেছিল: নির্যাতিতার জবানবন্দি
Connect with us

ভাইরাল খবর

দুর্গাপুর কাণ্ডে উলটপুরাণ! গণধর্ষণের আগে সহপাঠীই ধর্ষণের চেষ্টা করেছিল: নির্যাতিতার জবানবন্দি

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ দুর্গাপুর গণধর্ষণ (Durgapur Gang Rape) কাণ্ডে এল এক চাঞ্চল্যকর (Sensational) নতুন মোড়। ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর অবশেষে মুখ খুললেন নির্যাতিতা (Victim), আর তাঁর জবানবন্দি (Statement) সম্পূর্ণভাবে ঘুরিয়ে দিল তদন্তের গতিপথ (Course of Investigation)।

হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে পুলিশকে তিনি জানান, ঘটনার দিন তিনি স্বেচ্ছায় কলেজ ক্যাম্পাস (Campus) ছেড়েছিলেন তাঁরই সহপাঠী ওয়াশিফ আলির (Washif Ali) সঙ্গে। কিন্তু সেই বিশ্বাসই শেষমেশ তাঁর জীবনে ভয়াবহ (Terrible) অভিজ্ঞতা নিয়ে আসে। নির্যাতিতার অভিযোগ, জঙ্গলের নির্জন (Secluded) জায়গায় নিয়ে গিয়ে অভিযুক্ত সহপাঠী তাঁর সম্মতি (Consent) ছাড়াই শারীরিক নির্যাতনের (Physical Assault) চেষ্টা করে। এই অনৈতিক (Immoral) কাজে বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত (Enraged) হয়ে ওঠে ওয়াশিফ।

ঠিক সেই সময় ঘটে যায় আরও অপ্রত্যাশিত (Unexpected) ঘটনা। হঠাৎই সেখানে এসে হাজির হয় তিন দুষ্কৃতী (Miscreants)। তারা নির্যাতিতা ও ওয়াশিফের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা (Large Sum of Money) দাবি করতে শুরু করে। পরিস্থিতি বেগতিক (Out of Hand) বুঝে সহপাঠী ওয়াশিফ আলি এক মুহূর্তও অপেক্ষা না করে নির্যাতিতাকে সেখানেই ফেলে পালিয়ে যান।

জবানবন্দিতে (Testimony) নির্যাতিতা আরও জানিয়েছেন, নিজের রক্ষায় মরিয়া চেষ্টায় তিনি ঘটনাস্থল থেকে ছুটে পালাতে (Run Away) চেয়েছিলেন। তবুও রেহাই মেলেনি। ওই তিন দুষ্কৃতী তাঁকে পাকড়াও (Capture) করে ফেলে এবং তাদের মধ্যে একজন নৃশংসভাবে (Brutally) ধর্ষণ (Rape) করে। এর কিছুক্ষণ পরে আরও দু’জন ঘটনাস্থলে এসে জড়ো হয়। এই পুরো ঘটনার সময় সহপাঠী ওয়াশিফ একবারও ফিরে তাকাননি, এমনকি সাহায্যের হাতও (Helping Hand) বাড়াননি। এমনটাই অভিযোগ করেছেন নির্যাতিতা।

Advertisement
ads

উল্লেখ্য, অভিযুক্ত ওয়াশিফ আলি মালদহের কালিয়াচকের (Kaliyachak, Malda) বাসিন্দা এবং একজন ডাক্তারি (Medical) পড়ুয়া। বুধবার তাঁকে আদালতে (Court) তোলা হলে বিচারক (Judge) সাত দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে (Police Custody) রাখার নির্দেশ দেন। এই ঘটনার পর থেকেই নির্যাতিতার বাবা সহপাঠীর ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ (Doubt) প্রকাশ করে আসছিলেন। মেয়ের জবানবন্দি সামনে আসতেই তিনি বলেন, তিনি চান তাঁর মেয়ে সুবিচার (Justice) পাক।

এদিকে, তদন্তে নতুন তথ্য যুক্ত হওয়ায় পুলিশ ঘটনার পরিধিও বাড়িয়েছে। নির্যাতিতার বয়ানে ধস্তাধস্তি (Scuffle) ও দৌড়ঝাঁপের ইঙ্গিত থাকায় জঙ্গলের আরও বিস্তীর্ণ (Extensive) অংশ ঘিরে ফেলা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, এই ঘটনার বেশ কিছু স্তর (Layers) এখনও অজানা রয়ে গেছে।

আরও জানা গিয়েছে, ওয়াশিফ আলির বাবা আনিসুর রহমান কালিয়াচকের সিলামপুর-১ পঞ্চায়েতের কংগ্রেস সদস্য (Congress Member) ছিলেন। এলাকায় তাঁদের পরিবারের প্রভাব (Influence) ও পরিচিতি (Familiarity) কম নয়। দুর্গাপুর কাণ্ডে এটাই প্রথমবার, যখন নির্যাতিতা সরাসরি নিজের সহপাঠীর বিরুদ্ধে এমন গুরুতর (Serious) অভিযোগ আনলেন।

Advertisement
ads