হামলা
সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে বিএসএফ জওয়ান, স্ত্রীর আশঙ্কা: এখন আর ওকে ছাড়বে না
ডিজিটাল ডেস্কঃ পহেলগাঁও (Pahalgam) হামলার পর সীমান্তে নজরদারি জোরদার করেছিল বিএসএফ (BSF)। সেই অভিযানের সময় ‘ভুলবশত’ সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েন হুগলির (Hooghly) বাসিন্দা বিএসএফ জওয়ান পূর্ণম কুমার সাউ (Purnam Kumar Sau)। গত ১৪ দিন ধরে তাঁর কোনও খোঁজ নেই। পরিবারে শোক আর উদ্বেগের ছায়া। এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার রাতে ভারত চালায় ভয়াবহ প্রত্যাঘাত — ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor)। আর তার পর থেকেই উদ্বেগ আরও বেড়েছে সাউ পরিবারে।
পূর্ণমের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রজনী সাউ (Rajani Sau) ছুটে গিয়েছিলেন বিএসএফ সদর দপ্তরে, স্বামীর খোঁজ পাওয়ার আশায়। পেয়েছিলেন আশ্বাসও। কিন্তু এখন পরিস্থিতি অন্যরকম। রজনীর চোখে জল, কণ্ঠে হতাশা— “যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে, এখন ওকে আর ছাড়বে না পাকিস্তান।”
আরও পড়ুনঃ মোদি-স্টারমার ঐকমত্যে ইতিহাস, ভারতে ব্রিটিশ পণ্য প্রবেশের পথ আরও সহজ
উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে হিন্দু পর্যটকদের লক্ষ্য করে নির্মমভাবে গুলি চালায় জঙ্গিরা। ওই ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়। সেই হামলার জবাব দিতে গিয়ে মঙ্গলবার রাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত। বাহাওয়ালপুরে (Bahawalpur) জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammed), মুরাক্কায় (Murakka) লস্কর-ই-তইবা (Lashkar-e-Taiba) ও হিজবুল মুজাহিদিনের (Hizbul Mujahideen) প্রধান ঘাঁটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
সেনার এই অভিযানের তদারকি করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। রাতেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক এই হামলায় শুধুমাত্র জঙ্গি শিবিরগুলিকেই নিশানা করা হয়েছে।
এমন প্রেক্ষাপটে নিখোঁজ পূর্ণমের পরিবারে নেমে এসেছে উদ্বেগের অন্ধকার। অপেক্ষার প্রহর যেন আর শেষ হচ্ছে না।
