ফের কলকাতায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, লালবাজারের কাছে গাড়ির যন্ত্রাংশের গুদামে আগুন
Connect with us

কলকাতা

ফের কলকাতায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, লালবাজারের কাছে গাড়ির যন্ত্রাংশের গুদামে আগুন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কলকাতায় ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের (Fire Incident) ঘটনা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ লালবাজার (Lalbazar) সংলগ্ন আর.এন. মুখার্জি রোডের (R.N. Mukherjee Road) একটি গাড়ির যন্ত্রাংশের (Car Parts) গুদামে (Warehouse) বিধ্বংসী আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। প্রচণ্ড ধোঁয়ায় (Smoke) ঢেকে যায় চারদিক। ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছয় দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন (Fire Engines), আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু হয় যুদ্ধকালীন তৎপরতায়।

গুদাউনে কেমিক্যাল (Chemical) থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। আগুনের শিখার বদলে চারদিক সাদা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ফলে দমকল কর্মীদের (Firefighters) পক্ষে আগুনের উৎসস্থল (Source Point) খুঁজে পাওয়া হয়ে ওঠে চরম চ্যালেঞ্জের। অক্সিজেন মাস্ক (Oxygen Mask) ও সিলিন্ডার (Cylinder) পরে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলেও প্রবল ধোঁয়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে চোখ-মুখ জ্বলে ওঠে তাঁদের। অনেক দমকল কর্মী শ্বাসকষ্টে (Breathing Problem) ভুগতে শুরু করেন।

তিনতলা বিল্ডিংয়ের (Building) একতলায় ছিল ওই গাড়ির যন্ত্রাংশের গুদাম। সেখানে শর্ট সার্কিট (Short Circuit) থেকেই সম্ভবত আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিক অনুমান। জানলার কাচ ভেঙে ধোঁয়া বের করার কাজ চলছে। বিল্ডিং থেকে সকলকে নিরাপদে বের করে আনা হয়েছে বলে দমকল সূত্রে জানা গেছে।

ভিতরে অক্সিজেনের অভাব ও প্রবল ধোঁয়ার কারণে আগুন নেভাতে দমকলের বেগ পেতে হচ্ছে। বারবার চোখ-মুখে জল দিচ্ছেন কর্মীরা। এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। আশপাশের বাড়ি খালি করে দেওয়া হয়েছে। যান চলাচলও বন্ধ রাখা হয়েছে।

Advertisement
ads

দমকল আধিকারিকদের (Fire Officers) অনুমান, একটি এসি (AC) মেশিন থেকেই শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন ছড়িয়েছে। আগুনের উৎসস্থল চিহ্নিত করতে কাজ চলছে। বাইরে থেকে জল (Water Jet) দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা অব্যাহত। একাধিক ল্যাডার (Ladder) নামানো হয়েছে।

দমকল সূত্রে খবর, আপাতত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার মূল বাধা বিপুল পরিমাণ ধোঁয়া। ধোঁয়ার কারণে দৃশ্যমানতা (Visibility) প্রায় শূন্য, ফলে ভিতরে প্রবেশ করা যাচ্ছে না একেবারেই। ঘটনাস্থল লালবাজার থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে। এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

Advertisement
ads