fbpx

বাড়িতে আপেল ফলিয়ে তাক লাগালেন উত্তর দিনাজপুরের মহিলা কৃষি বিজ্ঞানী

নিজস্ব সংবাদদাতা , চোপড়া , ২ জুন : কথায় বলে ইচ্ছে থাকলে কিনা হয় ।  সেই অসাধ্যকে সাধন করে দেখালেন উত্তর দিনাজপুরের কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের বিজ্ঞানী মৌটুসি দে । বাড়ির টবে ফলিয়েছেন আপেল । যা দেখে রীতিমতো অবাক পাড়া প্রতিবেশিরা। উচ্ছ্বসিত তিনিও৷

মৌটুসি দে-র বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার রবীন্দ্রনগর কলোনি এলাকায় । উত্তর দিনাজপুর বিজ্ঞান কেন্দ্রের একজন বিজ্ঞানী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন তিনি। পেশার তাগিদে গ্রামগঞ্জে প্রতিনিয়ত ছুটতে হয় তাঁকে । কৃষি ক্ষেত্রে কৃষকদের নানা পরামর্শ দান ও গ্রামে গিয়ে চাষাবাদের কাজও খতিয়ে দেখেন মৌটুসিদেবী৷ তবে মৌটুসিদেবী এখানেই থেমে থাকতে চান নি৷ দীর্ঘদিন ধরে ইচ্ছে ছিল বাড়ির ছাদে টবে গাছ লাগিয়ে ফুল থেকে ফল সবই নিজে হাতে ফলাবেন । আর সেই ইচ্ছেকে অবশেষে বাস্তবরুপ দিতে পেরেছেন কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের এই মহিলা বিজ্ঞানী। টবে লাগিয়েছেন নানা জাতের আপেলের গাছ। শুধু আপেলই নয়, নানা রকমের গোলাপ ফুলের চারাও লাগিয়েছেন তিনি। যা দেখে অনেকেই অবাক হতে বাধ্য। গত বছর লকডাউনের সময় টবে আপেলের চারা রোপণ করেছিলেন তিনি। একবছর বাদে সেই টবে আপেল গাছ বেশ বড়সড় হয়েছে । কয়েকটি টবে প্রায় ২৪ টি আপেল ধরেছে। আপেলের ভারে গাছের চারা টবেতেই হেলে পড়েছে। সঙ্গে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। ফুলে-ফলে কার্যত গোটা ছাদ ভরপুর।  মৌটুসি দে বলেন, গতবছর লকডাউনের সময় ছাদে বাগান করার ভাবনা তৈরি হয়। বর্তমানে প্রায় কয়েকশো গাছ রয়েছে । অন্তত একশো রকমের ফুল গাছ আছে। মটরশুটি, পুঁইশাক, কলমি শাক ছাড়াও আপেল, আতা, কুল প্রভৃতি গাছে ফল ধরেছে।’ উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া, ইসলামপুর ব্লকে প্রচুর চা বাগান রয়েছে৷ কিন্তু আপেল চাষের ক্ষেত্রে এই জেলার মাটি ও আবহাওয়া কার্যত প্রতিকূল৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও চোপড়ার মাটিতে আপেল ফলিয়ে তাক লাগালেন মৌটুসিদেবী৷

নিজস্ব সংবাদদাতা

Next Post

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনই পাম অ্যাভিনিউর বাড়ী ফিরছেন না বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

বুধ জুন ২ , ২০২১
নিউজ ডেস্ক, ২ জুন : চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছুটি পেলেও এই মূহুর্তে পাম অ্যাভিনিউর দু’কামরার ফ্ল্যাটে ফিরছেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। চিকিৎসকদের পরামর্শে এবং তাঁর সম্মতিতে আপাতত সিআইটি রোডের একটি সেফ হোমে কয়েকদিন সস্ত্রীক থাকবেন তিনি। করোনায় আক্রান্ত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের চিকিৎসা চলছিল দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। ওই […]
error: Content is protected !!