বিফ না মটন বিতর্ক: পার্কস্ট্রিট রেস্তরাঁ কাণ্ডে সোশাল মিডিয়ায় কটাক্ষের মুখে সায়ক
Connect with us

ভাইরাল খবর

বিফ না মটন বিতর্ক: পার্কস্ট্রিট রেস্তরাঁ কাণ্ডে সোশাল মিডিয়ায় কটাক্ষের মুখে সায়ক

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ নিজের একটি ভিডিয়ো (Video)-র কারণে সোশাল মিডিয়ায় তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়েছেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার (Influencer) সায়ক চক্রবর্তী। পার্কস্ট্রিটের (Park Street) এক নামী রেস্তরাঁয় খেতে গিয়ে অনভিপ্রেত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। যদিও বিতর্ক বাড়তেই সেই ভিডিও ডিলিট (Delete) করতে বাধ্য হন তিনি।

সায়ক অভিযোগ করেন, পার্কস্ট্রিটের ওই রেস্তরাঁয় তিনি পাঁঠার মাংস (Mutton) অর্ডার দিলেও, তাঁদের গরুর মাংসের স্টেক (Beef Steak) পরিবেশন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর কর্মীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের ভিডিও তিনি সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। পাশাপাশি পার্কস্ট্রিট থানায় (Police Station) তিনি ইতিমধ্যেই একটি এফআইআর (FIR) দায়ের করেছেন।

কিন্তু সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় বিতর্ক। সোশাল মিডিয়ার একাংশের অভিযোগ, প্রকাশ্যে রেস্তরাঁর কর্মীর ধর্মীয় পরিচয় (Religion) নিয়ে প্রশ্ন তুলে সায়ক ধর্মীয় বিভাজন (Communal Divide) উসকে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কেউ কেউ আবার সরাসরি তাঁকে ‘বিজেপির দালাল’ বলেও কটাক্ষ করেন। এই বিতর্কে মুখ খোলেন একাধিক তারকা।

ফ্যাশন ডিজাইনার (Fashion Designer) অভিষেক রায় প্রশ্ন তোলেন,
“বিফ আর মটন কি এতটাই সেম (Same) খেতে? পলিটিক্যাল কনটেন্ট (Political Content) করলে এখন কত পাওয়া যাচ্ছে?”

Advertisement
ads

অন্যদিকে অভিনেতা মৈণাক ভৌমিক সোশাল মিডিয়ায় কটাক্ষ করে লেখেন, ব্রাহ্মণ হয়ে পার্কস্ট্রিটের মতো এলাকায় যাওয়া থেকে শুরু করে বিফ স্টেক খাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেন, যা নতুন করে বিতর্ক উসকে দেয়।

এছারাও আরও অনেকে অনেক কিছু বলেছেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার (Influencer) সায়ক চক্রবর্তীকে।

Advertisement
ads



ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখে ফের একটি ভিডিও করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন সায়ক। তিনি বলেন,
“দাঙ্গা (Riot) লাগানোর কোনও অভিপ্রায় আমার নেই। আমার মুসলিম বন্ধুও রয়েছে। ঈদের সময় (Eid) আমি বন্ধুর বাড়িতে খেতেও গিয়েছি। আমার কনটেন্টে সবসময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির (Communal Harmony) বার্তা থাকে।”

তিনি আরও জানান, সোশাল মিডিয়ায় হঠাৎ করেই তাঁকে ‘বিজেপির দালাল’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর আগেও মুখ্যমন্ত্রীর (Chief Minister) বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কারণে তাঁকে ‘চটিচাটা’ বলা হয়েছে, কিন্তু তিনি কখনও প্রতিবাদ করেননি। তাঁর দাবি, রাজনীতির (Politics) সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই।

সায়ক স্পষ্ট করে বলেন,
“আমি যেটা খাই না, সেটা যদি আমার অজান্তে পরিবেশন করা হয়, তার প্রতিবাদ করাটা জরুরি। আজ প্রতিবাদ না করলে ভবিষ্যতে আরও অনেকেই এমন সমস্যায় পড়তে পারেন।”

Advertisement
ads

পাশাপাশি রেস্তরাঁর কর্মীর প্রতি সমবেদনা (Sympathy) জানিয়ে তিনি বলেন,
“ওই কর্মী যদি নিজেকে হিন্দু বলেও দাবি করতেন, তাহলেও আমি একই প্রশ্ন করতাম—আপনাকে যদি গরুর মাংস খাওয়ানো হয়, আপনি খাবেন? ব্যস্ত সময়ে কাজের চাপ (Work Pressure) থাকতেই পারে, কিন্তু প্রতিবাদ না করলে সমস্যা থেকেই যাবে।”

তবে সব ব্যাখ্যার পরও সোশাল মিডিয়ায় বিতর্ক থামেনি। একটি ভিডিও ঘিরেই নানা মহলে প্রশ্ন ও সমালোচনার কেন্দ্রে এখন অভিনেতা-ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।

Continue Reading
Advertisement