শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্কের আগুন, রোহিঙ্গাদের-আজাদ হিন্দ ফৌজের সঙ্গে তুলনা
Connect with us

ভাইরাল খবর

শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্কের আগুন, রোহিঙ্গাদের-আজাদ হিন্দ ফৌজের সঙ্গে তুলনা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচনের (election) আগেই রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ তৈরি করেছে এসআইআর (SIR) নিয়ে বিতর্ক। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু করার ঘোষণা দেওয়ার পরই তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) এর বিরোধিতা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ইতিমধ্যেই এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। এবার তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাবেন।

কিন্তু এ প্রসঙ্গে বিতর্ক আরও বাড়িয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এমন একটি মন্তব্য করেছেন, যেখানে প্রায় একই লাইনে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী (Rohingya infiltrators) এবং নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বাধীন আজাদ হিন্দ ফৌজ (Azad Hind Fauj) তুলনা করা হয়েছে।

ব্রাত্য বসু বলেন, “বিজেপি (BJP) একটা বিপজ্জনক দল। ওরা ম্যাপ বোঝে না। মায়ানমার থেকে যে পথে রোহিঙ্গারা ঢোকে সেটা বর্মা (Burma) থেকে কলকাতা (Kolkata) আসার রাস্তা। ওটা আজাদ হিন্দ ফৌজ বাহিনীর (Azad Hind Fauj) রাস্তা। বিজেপি সেই পথকে অপমান করছে।” এই মন্তব্যেই তীব্র সমালোচনার জন্ম হয়েছে।

বিজেপির অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যে কার্যত আজাদ হিন্দ ফৌজের (Azad Hind Fauj) স্বীকৃত বীর সেনানীদের (brave soldiers) সঙ্গে রোহিঙ্গাদের (Rohingya) তুলনা করা হয়েছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ (Sajal Ghosh) বলেন, “ব্রাত্য বসু তো একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি কোন জায়গায় নেমে গিয়েছেন। এই জায়গায় না নামলে বোধ হয় তৃণমূল করা যায় না।”

Advertisement
ads

বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “আজাদ হিন্দ ফৌজের বীর সেনানীদের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের তুলনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। ১৯৪৪ সালে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বে আজাদ হিন্দ ফৌজ যখন বর্মা হয়ে ভারতের মাটিতে প্রবেশ করেছিল, তখনও নেহরু কংগ্রেস (Nehru Congress) তাঁদের ‘অনুপ্রবেশকারী’ বলে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিল। আজ একই ভাষা ব্যবহার করার এই প্রচেষ্টা ভারতের স্বাধীনতা ইতিহাস এবং দেশপ্রেমের প্রতি গভীর অবমাননা।”

বিজেপি এ মন্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়ার (apology) দাবি করেছে এবং পদত্যাগ (resignation) দাবিও তুলেছে।

Continue Reading
Advertisement