রাজ্যের খবর
শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আগে উথাল-পাথাল পরিস্থিতি, কী বললেন রাজন্যা হালদার?
স্কুল সার্ভিস কমিশন (School Service Commission – SSC) কি সত্যিই কলঙ্কের (stigma) দাগ মুছতে পারবে? এই প্রশ্ন আর উদ্বেগ নিয়ে চলছে নতুন শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা। মোট ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার (565,000) চাকরিপ্রার্থী (job seekers) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন।
আগামী এক সপ্তাহের ব্যবধানে নবম-দশম (Class 9th-10th) শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর এবার পালা একাদশ-দ্বাদশ (Class 11th-12th) শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার। আবেদনকারী সংখ্যা ২ লক্ষ ৪৬ হাজার (246,000)।
এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বহিষ্কৃত (expelled) টিএমসিপি (TMCP) নেত্রী রাজন্যা হালদার (Rajnnya Haldar)। পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার আগে তিনি বলেন, “আমি আশা রাখার চেষ্টা করছি। আজ প্রায় আড়াই লাখ মানুষ পরীক্ষা দিচ্ছে। আশা থাকলে তো পরীক্ষা দিই। আমার শিক্ষকগত (teaching qualification) যোগ্যতা যাচাই নয়, চাকরির (job) জন্য পরীক্ষা দিচ্ছি।”
তবে তিনি সামগ্রিক জটিলতা (complications) নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন, বলেন, “গতদিন পরীক্ষার সময় দেখি এক বাবা তাঁর সন্তানকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন, মা পরীক্ষার লাইনে। আমি চোখে জল আটকাতে পারিনি। আমরা যারা সাধারণ ডিগ্রি (general degree) কোর্স করেছি, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি, আমরা তো এমন পরিস্থিতি দেখব বলে পড়াশোনা করিনি। আমি চাই এই পরীক্ষার ফলাফল (result) নির্ভর হোক প্রার্থীর যোগ্যতার উপর এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ (transparent) প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রকাশিত হোক।”
রাজন্যা হালদারের এই বক্তব্য শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে নতুন প্রশ্ন তুলেছে SSC-এর স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে।


