অপারেশন সিঁদুর
পাকিস্তানে ত্রাণ নয়, সন্ত্রাসে ব্যয়! লস্করের ঘাঁটি গড়ছে বন্যার তহবিল দিয়ে
ডিজিটাল ডেস্কঃ সন্ত্রাসবাদের (Terrorism) আশ্রয়দাতা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ফের উঠল গুরুতর অভিযোগ। অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)-এ ধ্বংস হওয়া লস্কর-ই-তইবা (Lashkar-e-Taiba)-র প্রধান ঘাঁটি মারকাজ তইবা (Markaz-e-Taiba)-র পুনর্নির্মাণ শুরু করেছে ওই জঙ্গি সংগঠন। চাঞ্চল্যকরভাবে, এই নির্মাণে ব্যবহৃত হচ্ছে বন্যার (Flood) ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বরাদ্দ সরকারি ত্রাণের (Relief Fund) টাকা!
সূত্রের দাবি, ভারতীয় সেনার (Indian Army) চালানো অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তান (Pakistan) ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সেগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল মুরিদকে (Muridke)-তে অবস্থিত লস্করের সদর দপ্তর।
অভিযানের পর ভবনগুলির বেশিরভাগটাই ছিল কঙ্কালসার। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই নতুন করে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে সেই জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। প্রকাশ্যে আসা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বেশ কিছু ভবনের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ।
এই ভবনগুলিতে অস্ত্র মজুত, প্রশিক্ষণ এবং জঙ্গিদের থাকার বন্দোবস্ত থাকত। রিপোর্ট বলছে, সম্প্রতি ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে আর্থিক সাহায্য পাঠিয়েছিল পাক সরকার। কিন্তু সেই ত্রাণের অর্থ দিয়েই এখন পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে লস্করের ঘাঁটি!
প্রসঙ্গত, পহেলগাঁও (Pahalgam) হামলায় ২৬ জন ভারতীয় নাগরিক নিহত হন। তার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ভারত চালায় অপারেশন সিঁদুর। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় নয়টি জঙ্গি ঘাঁটি। কিন্তু সেই ধ্বংসস্তূপ থেকেই এবার উঠে দাঁড়াচ্ছে পুরনো আতঙ্ক—নতুন করে সক্রিয় হচ্ছে জঙ্গি সংগঠনগুলি।
এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুতর বলে মনে করছে ভারতের প্রতিরক্ষা মহল। কারণ, পাকিস্তান সরকার নিজের দেশের নাগরিকদের ত্রাণের টাকা না দিয়ে বরং তা খরচ করছে জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ফের সংগঠিত করতে। ফলে ভূস্বর্গে (Kashmir) জঙ্গি তৎপরতা ফের বাড়ার আশঙ্কা।
ভারতীয় সেনাও গোটা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।


