নিউটন যে বাংলাদেশি, তাও জানত তৃণমূল! স্থানীয় নেতার মুখে চাঞ্চল্যকর দাবি
Connect with us

রাজনীতি

নিউটন যে বাংলাদেশি, তাও জানত তৃণমূল! স্থানীয় নেতার মুখে চাঞ্চল্যকর দাবি

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাদেশি নাগরিক হয়েও কাকদ্বীপের ভোটার—এই অভিযোগ ঘিরে তীব্র বিতর্কে নাম জড়াল নিউটন দাস (Newton Das)। শুধু বিরোধী দল নয়, এবার তাঁর বাংলাদেশি পরিচয় স্বীকার করে নিলেন তৃণমূলেরই এক স্থানীয় নেতা। প্রতাপাদিত্যনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য বিপ্লব দাস (Biplab Das) দাবি করেছেন, তৃণমূল ভালোভাবেই জানত নিউটনের প্রকৃত নাগরিকত্ব। শুধু জানতই নয়, তাঁকে জামিন করানোর প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকাও নিয়েছিলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) সুন্দরবন সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবাশিস দাস (Debashis Das)।

বিপ্লববাবুর কথায়, ২০২২ সালে নিউটন দাস অবৈধভাবে উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। সেসময় বিএসএফ তাঁকে আটক করে এবং ভারতীয় পরিচয়পত্র ও বাংলাদেশি পাসপোর্ট উদ্ধারের পর তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। নিউটনকে প্রায় তিন মাস বনগাঁ সংশোধনাগারে (Bongaon Correctional Home) থাকতে হয়েছিল। তখনই দেবাশিস দাস নিয়মিত বনগাঁ যাতায়াত করে নিউটনের জামিনের জন্য চেষ্টা চালান এবং অবশেষে তাঁকে মুক্ত করেন। মুক্তির পর জেলের সামনেই নিউটন ও দেবাশিসের ছবি তোলা হয়, যা ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে কোরবানির দিতে গিয়ে গরুর লাথিতে দুই দিনে আহত ৬৪১! এখনো ভর্তি প্রায় ২৫০

তবে রবিবার দেবাশিস দাস দাবি করেছিলেন, নিউটনের সঙ্গে তাঁর পুরনো বন্ধুত্ব রয়েছে এবং নিউটন যে বাংলাদেশি, সে কথা তিনি জানতেন না। তিনি বলেছিলেন, বন্ধুর জন্মদিনের কেক কাটার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাত্র। কিন্তু বিপ্লব দাসের বক্তব্য এবং ভাইরাল হওয়া ছবিগুলি স্পষ্ট প্রমাণ করছে, দেবাশিস এই তথ্য জানতেন এবং নিউটনকে মুক্ত করতে তিনি যে কীভাবে সাহায্য করেছিলেন, তা একেবারে পরিষ্কার।

Advertisement
ads

বিপ্লববাবু আরও জানিয়েছেন, নিউটনের সঙ্গে দেবাশিস দাসের রেস্তোরাঁ ব্যবসাতেও পার্টনারশিপ ছিল। ওই ব্যবসায় হরিপদ দাস (Haripada Das) নামে আরও এক ব্যক্তির বিনিয়োগ ছিল। কিছুদিনের মধ্যেই নিউটন রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেন এবং হরিপদবাবুর প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা নিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ।

এ নিয়ে দেবাশিস দাস সংবাদমাধ্যমে পাল্টা বলেন, “সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রমাণ থাকলে পুলিশে অভিযোগ করুক। আমি আইনি পথেই জবাব দেব।”

এই ঘটনায় তৃণমূল প্রবল অস্বস্তিতে। কেন এক বাংলাদেশি নাগরিক ভারতের ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারল? কেন দলীয় নেতারা তাঁকে জামিন করাতে এত তৎপর হলেন?—এই প্রশ্ন ঘিরে কাকদ্বীপে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement