বিদেশের মাটিতে ফের বিস্ফোরক রাহুল, নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে কারচুপির অভিযোগ
Connect with us

রাজনীতি

বিদেশের মাটিতে ফের বিস্ফোরক রাহুল, নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে কারচুপির অভিযোগ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে ফের ভারতের নির্বাচন প্রক্রিয়াকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এইবার আমেরিকার বস্টনে এক প্রবাসী ভারতীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি সরাসরি আক্রমণ করলেন নির্বাচন কমিশনকে। তাঁর অভিযোগ, কমিশন পক্ষপাতদুষ্টভাবে কাজ করছে এবং স্বচ্ছ ভোটপ্রক্রিয়া বজায় রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে।

রাহুল গান্ধী বলেন, “ভোটের দিন শেষ হওয়ার পরও লক্ষ লক্ষ ভোট হঠাৎ করে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের পরিসংখ্যান বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খায় না। এটা সাধারণ গণতন্ত্রের বিপরীত।” তাঁর কথায়, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা দিন দিন প্রশ্নের মুখে পড়ছে, এবং তা দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য উদ্বেগজনক।

আরও পড়ুনঃ সপ্তাহখানেক পার! আগের মতই ছন্দে ফিরছে মুর্শিদাবাদ, খুলল স্কুল-কলেজ

বস্টনের ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল আরও বলেন, “মহারাষ্ট্রে ভোটের হার নিয়ে যে অস্বাভাবিকতা দেখা গিয়েছে, তা নিয়ে কমিশনের জবাবদিহির প্রয়োজন রয়েছে। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় যে ভোটের হার জানানো হয়েছিল, সন্ধ্যায় তা হঠাৎ কয়েক লক্ষে পৌঁছে যায় – এটা সম্ভব নয়।” এই প্রসঙ্গে নাম না করেই তিনি বলেন, “নির্বাচনের সময় প্রশাসনিক যন্ত্রও নিরপেক্ষ থাকে না। গণতন্ত্র কেবল ভোট দিয়ে শেষ হয় না, বরং স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা তার মূল ভিত্তি।”

Advertisement
ads

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এরকম আন্তর্জাতিক মন্তব্য আবারও বিতর্ক উসকে দিতে পারে। কারণ এর আগেও বিদেশের মাটিতে ভারতের গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছিলেন রাহুল গান্ধী। বিশেষ করে ২০২৩ সালে লন্ডনের এক আলোচনাসভায় তাঁর মন্তব্য নিয়ে উত্তাল হয়েছিল দেশের রাজনীতি

প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন মহাজোট বিপুল সাফল্য পেলেও বিরোধী জোট বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে হেরে যায়। তার পর থেকেই ইভিএম থেকে শুরু করে ভোটার তালিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে চলেছে কংগ্রেস শিবির

রাহুলের এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা। শাসক শিবিরের দাবি, বিদেশে গিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছেন বিরোধী নেতারা। তবে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে সত্য বলার জায়গা ও সময় বেছে নেওয়াই রাজনৈতিক দায়িত্বের অঙ্গ।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement