শিক্ষকদের মার! কসবাকাণ্ডে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা
Connect with us

কলকাতা

শিক্ষকদের মার! কসবাকাণ্ডে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা

Dwip Narayan Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক: কসবা ডিআই অফিস অভিযানের ঘটনায় ধুন্ধুমার। বুধবার কসবায় ডিআই অফিস অভিযানে গিয়ে পুলিশের লাঠিচার্জের মুখে চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। শুধু লাঠিচার্জ নয়, চাকরিহারাদের চর, লাথি, ঘুসি মারা হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি মাটিতে ফেলে রেখে মারধর করা হয়েছে তাদের। ঘটনার প্রতিবাদে সরব চাকরিহারারা।

একদিকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যারা যোগ্য তাদের চাকরি যাবেনা! কিন্তু আবার তাদের কেই লাঠিচার্জ করা হচ্ছে। ফের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে! কসবায় ডিআই অফিস অভিযানে গিয়ে চাকরিহারা শিক্ষকদের একাংশ পুলিশের লাঠি, এমনকি মার খেতে হয়েছে তাদের। অভিযোগ, পুলিশ শুধু লাঠি দিয়ে নয়, চড় ও ঘুষি মারা হয়েছে, এমনকি ধাক্কা দেওয়া হয়েছে।

কসবা কান্ড নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুললেন উর্দিধারীরা। বললেন, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছে পুলিশ। হামলার ঘটনায় পুলিশের তরফে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়। ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকারা। যদিও পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছেন, একথা মেনে নিয়েছেন খোদ কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা।

আরও পড়ুন – তৃণমূল চলে গেলে কি অবস্থা হবে তাদের?’ কসবা কান্ড নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

Advertisement
ads

গতকাল সন্ধ্যায় আন্দোলনরত চাকরিহারারা একটি সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, কলকাতা পুলিশের ওয়েবসাইটে দেওয়া ভিডিও ভালো করে দেখলে বোঝা যাবে পুলিশ পরিকল্পনাভাবে আমাদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করার জন্য এই ধরনের ভিডিও ওয়েবসাইটে দিয়েছে। ওয়েবসাইটে মারধরের যে ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে, সেটা আজকের নয়, অন্যদিন কার। ইচ্ছাকৃতভাবে এই ভিডিওটি আজকের দিনের ঘটনার সঙ্গে জুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। এমন কোন ঘটনা আজ ঘটেনি।

এদিকে সিপি মনোজ ভার্মা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচারিত ভিডিও নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি দাবি জানিয়েছেন, হামলার ঘটনার পুরো ভিডিও ফুটেজ আমরা দেখছি। লাথি মারার যে ছবি দেখানো হচ্ছে, সেটা একটা অংশ। পুরোটা নয়। তবে যে ছবি দেখানো হচ্ছে সেটা অবশ্যই কাম্য নয়। কিন্তু, পুলিশ কেন এমন অ্যাকশন নিল? সেটা দেখতে হবে। গতকাল যে পুলিশকর্তারা ফিল্ডে রয়েছেন, তাদের কাছে রিপোর্ট চেয়েছি আমরা।

আরও পড়ুন – বেতন পোর্টালে নাম চাকরিহারাদের! তবুও মনে শঙ্কার মেঘ

Advertisement
ads